ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে? Logo আমেরিকার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের কেন সক্রিয় হতে হবে Logo তিনদিনের মুদ্রা প্রদর্শনী: প্রাচীন লিডিয়া থেকে বাংলাদেশ, মুদ্রায় ধরা বিশ্ব ইতিহাস Logo এইচএসসিতে পাসের হার শূন্য বা কম থাকা প্রতিষ্ঠান নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত Logo ঝলমলে চুল ও পরিচ্ছন্ন স্ক্যাল্পের জন্য চুল ধোওয়ার কোরিয়ান রহস্য Logo জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি আয় ১৭.০৪ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ Logo ইউটিউব দেখে পড়ালেখা করে জিপিএ–৫ Logo সৌদি রুটে ১৬৫ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে প্রায় ২৩ হাজার যাত্রী Logo খারাপ ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর Logo বাংলাদেশে আসছেন মুফতি তাকি উসমানি
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

জামায়াত জোটে কী হচ্ছে, এনসিপিসহ শরিকদের সাথে দূরত্ব বাড়ছে?

আপডেট সময় ০৬:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটে ভাঙনের সুর শোনা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠেছে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনগুলোতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরকষাকষি চলছে। এর ফলে জোটের ভেতরের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের অবনতি ঘটছে এবং দূরত্ব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জোটের শরিক দলগুলোর ভেতরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থী মনোনয়ন এবং আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে নিজেদের মতামত বা দাবি যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। জাতীয় রাজনীতির এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভালো ফল অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে দলগুলো মাঠে নামতে চাইছে। কিন্তু জোটের বড় শরিকের মনোভাবের কারণে ছোট দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনের আন্দোলন ও নির্বাচনী কার্যক্রমে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রাজনীতি সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে যে জামায়াতের এই জোটের ভেতরে আসলে ঠিক কী ঘটছে। অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার ঘোষণা দিলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শরিক দলগুলোর ভেতরে তৈরি হওয়া এই চাপা ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত জোটের ঐক্যকে টিকিয়ে রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই বিরোধ বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে জোটের শীর্ষ নেতারা এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবেন কি না, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। শরিক দলগুলোর মধ্যকার এই দূরত্ব যদি দ্রুত দূর করা না যায়, তবে জোটের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে বড় কোনো ভাঙনের কথা স্বীকার করা হয়নি, তবে ভেতরের টানাপোড়েন যে চরমে পৌঁছেছে তা তাদের বক্তব্যে কিছুটা হলেও প্রতিফলিত হচ্ছে।