ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo দেশের ভেতরে-বাইরে যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব দেব: প্রধানমন্ত্রী Logo ভেজাল সার-কীটনাশকের কারখানা সিলগালা, মালিকের কারাদণ্ড Logo ডেমোক্র্যাটদের মোকাবিলায় আরও আক্রমণাত্মক হতে যাচ্ছেন ট্রাম্প Logo স্থাপত্য ও চিত্রে পুরান ঢাকার কাব্যময়তা Logo জাপান টোব্যাকোর সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিল রাশিয়া, কিসের আভাস দিলেন পুতিন Logo শিলা, মিথিলার পর এবার মাহি Logo সুরের মূর্ছনায় মাতল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ Logo মার্কিন শুল্ক চুক্তি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন: নাসিম মঞ্জুর Logo সিলিন্ডারের দাম ২৫০০ টাকা, ‘কুলাইতে না পেরে’ তামান্নারা এখন রান্না করেন লাকড়ি দিয়ে Logo জিয়াউর রহমানকে খলনায়ক বানানো যাবে না: জ্বালানিমন্ত্রী টুকু
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ভেজাল সার-কীটনাশকের কারখানা সিলগালা, মালিকের কারাদণ্ড

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ভেজাল সার ও কীটনাশক উৎপাদনের দায়ে এসডি এগ্রোভেট নামের একটি অবৈধ কারখানায় যৌথ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি শিবগঞ্জ বাজার ও শিবগঞ্জ দরিয়াপাড়া এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা প্রদান করা হয়। অভিযান শেষে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও নকল পণ্য তৈরির সরঞ্জামসহ পুরো কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে কয়েক টন নকল সার, কীটনাশক এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক জব্দ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ক্ষতিকর ও ভেজাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। জব্দ করা অনুমোদিত পণ্যের নমুনা মান যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে, যাতে কৃষকদের মাঝে এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মহাদেবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ। অভিযানে কারখানার মালিক মোতার হোসেনের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কারখানার অপর মালিক তাঁর ভাই মোহাম্মদ শাহিনুর আলম উপস্থিত না থাকায় বালাইনাশক আইন অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী হাসনাত জাহান পাপিয়ার নামে এক লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ জানান, প্রতিষ্ঠানটির সামান্য কিছু সার তৈরির অনুমোদন থাকলেও তারা অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও চক তৈরি করছিল। কৃষকদের স্বার্থরক্ষা এবং বাজারে ভেজাল পণ্যের দৌরাত্ম্য রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ভেতরে-বাইরে যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব দেব: প্রধানমন্ত্রী

ভেজাল সার-কীটনাশকের কারখানা সিলগালা, মালিকের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০২:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ভেজাল সার ও কীটনাশক উৎপাদনের দায়ে এসডি এগ্রোভেট নামের একটি অবৈধ কারখানায় যৌথ অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। সম্প্রতি শিবগঞ্জ বাজার ও শিবগঞ্জ দরিয়াপাড়া এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের তাৎক্ষণিক সাজা ও জরিমানা প্রদান করা হয়। অভিযান শেষে ক্ষতিকর রাসায়নিক ও নকল পণ্য তৈরির সরঞ্জামসহ পুরো কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে কয়েক টন নকল সার, কীটনাশক এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক জব্দ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানায় কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ক্ষতিকর ও ভেজাল পণ্য তৈরি করা হচ্ছিল। জব্দ করা অনুমোদিত পণ্যের নমুনা মান যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে, যাতে কৃষকদের মাঝে এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন মহাদেবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ। অভিযানে কারখানার মালিক মোতার হোসেনের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া কারখানার অপর মালিক তাঁর ভাই মোহাম্মদ শাহিনুর আলম উপস্থিত না থাকায় বালাইনাশক আইন অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী হাসনাত জাহান পাপিয়ার নামে এক লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ জানান, প্রতিষ্ঠানটির সামান্য কিছু সার তৈরির অনুমোদন থাকলেও তারা অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও চক তৈরি করছিল। কৃষকদের স্বার্থরক্ষা এবং বাজারে ভেজাল পণ্যের দৌরাত্ম্য রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।