আপডেট সময়
০৬:৩১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
ভারতে বিক্ষোভে ‘গোদি মিডিয়ার’ সাংবাদিকেরা কেন তোপের মুখে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান বিভিন্ন জনবিক্ষোভের সময় মূলধারার একদল সংবাদকর্মী সাধারণ মানুষের তীব্র তোপের মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রতি সহানুভূতিশীল বা অনুগত বলে পরিচিত সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের রাজপথে নানা ধরনের হেনস্তার শিকার হতে দেখা যাচ্ছে। আন্দোলনকারী সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা এই গণমাধ্যমগুলোর পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সরকারঘনিষ্ঠ এসব সংবাদমাধ্যমকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘গোদি মিডিয়া’ বা কোলের মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই গণমাধ্যমগুলো জনগণের প্রকৃত সমস্যা এবং সরকারের সমালোচনামূলক বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে কেবল শাসকদলের এজেন্ডা প্রচার করে। যে কারণে সাধারণ নাগরিকরা যখন রাজপথে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নামছেন, তখন এই মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি তাদের আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলছে।সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনায় দেখা গেছে, বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিক ও চিত্রগ্রাহকদের ওপর চড়াও হয়েছেন ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। অনেক স্থানে তাদের ক্যামেরা ও বুম কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে কিংবা স্লোগান দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদকর্মীদের দাবি, তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়ছে।বিশ্লেষকদের মতে, সংবাদমাধ্যমের একটি অংশের ওপর সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘস্থায়ী অবিশ্বাস ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেই চলেছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে। নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে গণমাধ্যম যখন একটি পক্ষের মুখপাত্রে পরিণত হয়, তখন মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের এমন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। সার্বিক এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান বিভিন্ন জনবিক্ষোভের সময় মূলধারার একদল সংবাদকর্মী সাধারণ মানুষের তীব্র তোপের মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রতি সহানুভূতিশীল বা অনুগত বলে পরিচিত সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের রাজপথে নানা ধরনের হেনস্তার শিকার হতে দেখা যাচ্ছে। আন্দোলনকারী সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা এই গণমাধ্যমগুলোর পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সরকারঘনিষ্ঠ এসব সংবাদমাধ্যমকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘গোদি মিডিয়া’ বা কোলের মাধ্যম হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই গণমাধ্যমগুলো জনগণের প্রকৃত সমস্যা এবং সরকারের সমালোচনামূলক বিষয়গুলো এড়িয়ে গিয়ে কেবল শাসকদলের এজেন্ডা প্রচার করে। যে কারণে সাধারণ নাগরিকরা যখন রাজপথে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নামছেন, তখন এই মাধ্যমগুলোর উপস্থিতি তাদের আরও বেশি ক্ষুব্ধ করে তুলছে।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনায় দেখা গেছে, বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিক ও চিত্রগ্রাহকদের ওপর চড়াও হয়েছেন ক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। অনেক স্থানে তাদের ক্যামেরা ও বুম কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে কিংবা স্লোগান দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদকর্মীদের দাবি, তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংবাদমাধ্যমের একটি অংশের ওপর সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘস্থায়ী অবিশ্বাস ও ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেই চলেছে এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে। নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে গণমাধ্যম যখন একটি পক্ষের মুখপাত্রে পরিণত হয়, তখন মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের এমন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। সার্বিক এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।