ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার Logo এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে Logo কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের Logo খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের Logo পাথরের ব্যবসা ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান, অনাবাদি জমিতে গড়েছেন সমন্বিত খামার Logo মেঘনার বুকে ১৭ কেজির কাতলা, বিক্রি হলো ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় Logo ৭ নভেম্বর ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির দ্বিচারিতা আছে: হাসনাত Logo বৃষ্টি হওয়ার সময় পড়ার দোয়া Logo রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায় Logo মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না তখন নিজেরাই প্রতিরোধ শুরু করে: নাহিদ ইসলাম
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানটির মূল ব্যানারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি না থাকার কারণে নেতাকর্মীরা প্রথমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে সম্বোধন করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সভাস্থলে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐতিহাসিক এই দিনটি স্মরণ করতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ওই আলোচনা সভায় যোগ দেন। সভার কার্যক্রম শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই মঞ্চের পেছনে টাঙানো ব্যানারটি নেতাকর্মীদের নজরে আসে এবং সেখানে দলের প্রতিষ্ঠাতার ছবি অনুপস্থিত দেখে তারা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এ সময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্মানজনক উপাধি ব্যবহার করা হলে পরিস্থিতি আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

উপস্থিত বিক্ষুব্ধ কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম ও দলের আদর্শের ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে শুরু করেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে সভাস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয় এবং কিছুক্ষণের জন্য অনুষ্ঠান পণ্ড হওয়ার উপক্রম হয়। পরে দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ও অসন্তোষ বজায় থাকে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিনে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার ফলে স্থানীয় কর্মীদের মাঝে নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দলীয় কর্মসূচিতে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার

ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি নেই, শেখ মুজিবকে ‘জাতির পিতা’ বলায় হট্টগোল

আপডেট সময় ০৪:৩০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানটির মূল ব্যানারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি না থাকার কারণে নেতাকর্মীরা প্রথমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি, শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে সম্বোধন করার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সভাস্থলে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঐতিহাসিক এই দিনটি স্মরণ করতে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ওই আলোচনা সভায় যোগ দেন। সভার কার্যক্রম শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই মঞ্চের পেছনে টাঙানো ব্যানারটি নেতাকর্মীদের নজরে আসে এবং সেখানে দলের প্রতিষ্ঠাতার ছবি অনুপস্থিত দেখে তারা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠেন। এ সময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্মানজনক উপাধি ব্যবহার করা হলে পরিস্থিতি আরও বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

উপস্থিত বিক্ষুব্ধ কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম ও দলের আদর্শের ব্যত্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলে স্লোগান দিতে শুরু করেন। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে সভাস্থলে চরম বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয় এবং কিছুক্ষণের জন্য অনুষ্ঠান পণ্ড হওয়ার উপক্রম হয়। পরে দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ও অসন্তোষ বজায় থাকে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিনে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার ফলে স্থানীয় কর্মীদের মাঝে নানা আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দলীয় কর্মসূচিতে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।