আপডেট সময়
০৮:৩১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে প্রতিবাদে মানববন্ধন
জাতীয় ডেস্ক: বরগুনার তালতলী উপজেলায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি পায়রা নদীতে ফেলে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংস করার প্রতিবাদে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়ালভাঙ্গা এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে এই কর্মসূচি পালিত হয়। পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে দুই শতাধিক সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভোগী জেলেরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।ধরিত্রীর রক্ষায় আমরা তথা ধরা এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের তালতলী শাখার সমন্বয়ক আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব মো. বাবুল হাওলাদার, কামাল চৌকিদার ও সুলতানা মিয়া। বক্তারা বলেন যে বরিশাল ৩৫০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিকর বর্জ্য কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে।বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে বর্জ্য অপসারণের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ না করে অটোরিকশা ও নৌকার মাধ্যমে বর্জ্য এনে পায়রা নদীতে ফেলছে। এর ফলে নদীর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে এবং এর প্রভাবে ইলিশসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় এলাকার জেলে সম্প্রদায় তাদের একমাত্র জীবিকা হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে এই দূষিত পানি ব্যবহার করায় চর্মরোগসহ নানা ধরনের মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী টেংরাগিরি বন্য প্রাণী অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং স্থানীয় কৃষি ও জনস্বাস্থ্যও চরম বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ সরকার জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন যে পরিবেশ বিনষ্ট করে ও নদীর পানি দূষিত করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।
জাতীয় ডেস্ক: বরগুনার তালতলী উপজেলায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি পায়রা নদীতে ফেলে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ ধ্বংস করার প্রতিবাদে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়ালভাঙ্গা এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে এই কর্মসূচি পালিত হয়। পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে দুই শতাধিক সাধারণ মানুষ এবং ভুক্তভোগী জেলেরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
ধরিত্রীর রক্ষায় আমরা তথা ধরা এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের তালতলী শাখার সমন্বয়ক আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব মো. বাবুল হাওলাদার, কামাল চৌকিদার ও সুলতানা মিয়া। বক্তারা বলেন যে বরিশাল ৩৫০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতিকর বর্জ্য কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন যে বর্জ্য অপসারণের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ না করে অটোরিকশা ও নৌকার মাধ্যমে বর্জ্য এনে পায়রা নদীতে ফেলছে। এর ফলে নদীর পানি ব্যাপকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে এবং এর প্রভাবে ইলিশসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় এলাকার জেলে সম্প্রদায় তাদের একমাত্র জীবিকা হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।
নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে এই দূষিত পানি ব্যবহার করায় চর্মরোগসহ নানা ধরনের মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী টেংরাগিরি বন্য প্রাণী অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে পড়েছে এবং স্থানীয় কৃষি ও জনস্বাস্থ্যও চরম বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।
এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতীশ সরকার জানিয়েছেন যে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সত্যতা প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন যে পরিবেশ বিনষ্ট করে ও নদীর পানি দূষিত করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।