ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া: জামায়াত আমির Logo ঠাকুরগাঁওকে মাগুরা বানাবেন না, নির্বাচন হোক ঈদ উৎসবের মতো: আব্দুল হালিম Logo সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের পাশে প্রাইম ব্যাংক ও রানার মোটরস Logo বিশ্বের মোট ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম Logo বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমনে কতটা আগ্রহী Logo এআইতে বিদ্যুৎ ও পানির লুকানো খরচ Logo জবিতে সাইকোলজি প্রফেশনাল মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তি Logo করকাঠামো সংস্কারে নীতি ও প্রশাসন আলাদা করলেই কি রাজস্ব বাড়বে Logo এনসিপিতে পাটওয়ারী-হাসনাত-সারজিস-আসিফের পদোন্নতি, বিলুপ্ত ৭ পদ Logo এল ক্লাসিকোতে বাজিমাত করতে মরিনিওর বিশেষ পরিকল্পনা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমনে কতটা আগ্রহী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: গত চব্বিশ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনা সরকার। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের নানা স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে এবং বিভিন্ন খাতের অনিয়ম দূর করার উদ্দেশ্যে এই সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিটি গঠন করেছে।

গঠিত এসব সংস্কার কমিটির মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক কাঠামো, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘদিনের জঞ্জাল দূর করা। অতীতে দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন যেভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। সাধারণ মানুষ আশা করছে, এই কমিশনগুলোর কাজের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এদিকে, দুর্নীতি দমন ও লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। অতীতে দেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং মেগা প্রজেক্টগুলোর সঙ্গে জড়িত দুর্নীতির হোতাদের বিচারের আওতায় আনা অন্তর্বর্তী প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বারবার বলে আসছেন যে, দুর্নীতি নির্মূল ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী কোনো পরিবর্তন বা গণতান্ত্রিক সংস্কার টেকসই করা সম্ভব নয়।

সব মিলিয়ে, নতুন বাংলাদেশ গঠনে দুর্নীতি দমন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা এখন দেশের সবচেয়ে বড় দাবি। সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। জনগণের এই উচ্চাশা পূরণ করতে হলে প্রশাসনকে আরও কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :

আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর জান্নাতে যাওয়া: জামায়াত আমির

বিএনপি সরকার দুর্নীতি দমনে কতটা আগ্রহী

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: গত চব্বিশ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনা সরকার। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের নানা স্তরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে দায়িত্ব গ্রহণ করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে এবং বিভিন্ন খাতের অনিয়ম দূর করার উদ্দেশ্যে এই সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিটি গঠন করেছে।

গঠিত এসব সংস্কার কমিটির মূল লক্ষ্য হলো প্রশাসনিক কাঠামো, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘদিনের জঞ্জাল দূর করা। অতীতে দুর্নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি ও জনজীবন যেভাবে বিপর্যস্ত হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। সাধারণ মানুষ আশা করছে, এই কমিশনগুলোর কাজের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এদিকে, দুর্নীতি দমন ও লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। অতীতে দেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং মেগা প্রজেক্টগুলোর সঙ্গে জড়িত দুর্নীতির হোতাদের বিচারের আওতায় আনা অন্তর্বর্তী প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বারবার বলে আসছেন যে, দুর্নীতি নির্মূল ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী কোনো পরিবর্তন বা গণতান্ত্রিক সংস্কার টেকসই করা সম্ভব নয়।

সব মিলিয়ে, নতুন বাংলাদেশ গঠনে দুর্নীতি দমন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা এখন দেশের সবচেয়ে বড় দাবি। সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছেন। জনগণের এই উচ্চাশা পূরণ করতে হলে প্রশাসনকে আরও কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।