আপডেট সময়
০৬:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
ফেব্রুয়ারির পর যেভাবে বদলে গেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দীর্ঘমেতি সংঘাতের রূপরেখায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সংঘাতের শুরুর দিকে দুই পক্ষের আলোচনার মূল এজেন্ডা ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্রদের ভূমিকা নিয়ন্ত্রণ করা। তবে গত প্রায় আট মাসের ব্যবধানে এই দ্বন্দ্বের কৌশলগত দিকগুলো সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে এবং এর পরিধি ও তীব্রতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।এই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান ও স্পর্শকাতর রণক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত এই জলপথে জ্বালানি সরবরাহ ও জাহাজ চলাচল বর্তমানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার পাশাপাশি দেশটির প্রধান বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ আরোপের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের আঞ্চলিক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে সুদূর ইয়েমেন পর্যন্ত, যেখানে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের নতুন সংঘাতে সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর ফলে কৌশলগত লোহিত সাগর দিয়ে বৈশ্বিক নৌবাণিজ্য পরিচালনার নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক এই অস্থিতিশীলতা সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে।অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং একটানা সামরিক তৎপরতার কারণে ইরানের অর্থনীতি সংকুচিত হওয়ার মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে হাজার হাজার কোটি ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে মার্কিন প্রশাসনের ওপর তীব্র রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।সামরিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে সরাসরি আঘাত হানার সক্ষমতা প্রদর্শন করলেও তেহরানও তাদের উন্নত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ফলে এই সংঘাত এখন আর কেবল তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাভিলাষ বা আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিরোধে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য এক সুদূরপ্রসারী সংকট তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর থেকে ইরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার দীর্ঘমেতি সংঘাতের রূপরেখায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সংঘাতের শুরুর দিকে দুই পক্ষের আলোচনার মূল এজেন্ডা ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্রদের ভূমিকা নিয়ন্ত্রণ করা। তবে গত প্রায় আট মাসের ব্যবধানে এই দ্বন্দ্বের কৌশলগত দিকগুলো সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে এবং এর পরিধি ও তীব্রতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই যুদ্ধের অন্যতম প্রধান ও স্পর্শকাতর রণক্ষেত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত এই জলপথে জ্বালানি সরবরাহ ও জাহাজ চলাচল বর্তমানে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার পাশাপাশি দেশটির প্রধান বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ আরোপের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের আঞ্চলিক প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে সুদূর ইয়েমেন পর্যন্ত, যেখানে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের নতুন সংঘাতে সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর ফলে কৌশলগত লোহিত সাগর দিয়ে বৈশ্বিক নৌবাণিজ্য পরিচালনার নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। আঞ্চলিক এই অস্থিতিশীলতা সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কঠোর নিষেধাজ্ঞা এবং একটানা সামরিক তৎপরতার কারণে ইরানের অর্থনীতি সংকুচিত হওয়ার মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে হাজার হাজার কোটি ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, এবং বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে মার্কিন প্রশাসনের ওপর তীব্র রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
সামরিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে সরাসরি আঘাত হানার সক্ষমতা প্রদর্শন করলেও তেহরানও তাদের উন্নত ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। ফলে এই সংঘাত এখন আর কেবল তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাভিলাষ বা আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের বিরোধে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য এক সুদূরপ্রসারী সংকট তৈরি করেছে।