আপডেট সময়
১১:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
পানির ট্যাংকের ওপর লক্ষ্মী প্যাঁচার সংসার—নিউইয়র্কে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ততম শহর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইড এলাকায় সম্প্রতি এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। একটি আবাসিক ভবনের ছাদের পানির ট্যাংকের ওপর বিরল প্রজাতির একদল বার্ন আউল বা লক্ষ্মীপ্যাঁচা বাসা বেঁধেছে। এই প্যাঁচাগুলোর উপস্থিতি এবং তাদের বিচরণ ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটকদেরও দারুণভাবে বিমোহিত করছে। পাখিপ্রেমী ও আলোকচিত্রীরা প্রতিদিন এই বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ভিড় জমাচ্ছেন। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ইতিহাসের নথিপত্র অনুযায়ী ম্যানহাটন শহরে এই প্রজাতির প্যাঁচার বাসা বাঁধার এটিই প্রথম ঘটনা।স্থানীয় এক বাসিন্দা এলিজাবেথ উইলিয়ামস ও তাঁর স্বামী প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সংবাদমাধ্যমকে জানান। এর আগে তাঁরা নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টের জানালার কার্নিশে একটি প্যাঁচা বসে থাকতে দেখেছিলেন। এ বিষয়ে এলিজাবেথ জানান যে, কংক্রিটের এই মহানগরে সাধারণত প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ কম থাকে, কিন্তু এবার প্রকৃতি নিজেই তাঁদের জানালায় ধরা দিয়েছে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব অব অর্নিথোলজির পরিবেশবিদ অ্যান্ড্রু ফার্নসওয়ার্থ এই ঘটনাকে অত্যন্ত বিস্ময়কর ও বিরল বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, পাখি পর্যবেক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় ম্যানহাটন এলাকায় এ ধরনের প্যাঁচার বাসা বাঁধার কোনো পূর্ব রেকর্ড নেই।ম্যানহাটনভিত্তিক পাখিপ্রেমী ডেভিড ব্যারেট জানিয়েছেন যে তিনি ওই পানির ট্যাংকের আশপাশে অন্তত একটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচা ও পাঁচটি উড়তে শেখা ছানা দেখেছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণে একটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচাকে ইঁদুর শিকার করে বাসায় ফিরতেও দেখা গেছে। সেখানে সম্ভবত দুটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার কোনো কোনো আলোকচিত্রী সেখানে ছয়টি ছানা দেখার দাবিও করেছেন। নিউইয়র্ক বার্ড অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক জেসিকা উইলসন জানিয়েছেন, প্যাঁচার নিশাচর স্বভাব ও রহস্যময় উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ এদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, যার ফলে সন্ধ্যার পর রাস্তায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় বাড়ছে।তবে এত আনন্দের মাঝেও এই বিরল পাখি পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিউইয়র্ক রাজ্যের পরিবেশ সংরক্ষণ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যটিতে বর্তমানে লক্ষ্মী প্যাঁচার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে। পাখিপ্রেমীদের আশঙ্কা, নগরীতে ইঁদুর মারার জন্য যেসব বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, প্যাঁচাগুলো সেই বিষাক্ত ইঁদুর শিকার করলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে। এর আগেও নিউইয়র্কে বিভিন্ন সময় বিশেষ প্রজাতির পাখি নগরবাসীর ভালোবাসা কুড়িয়েছিল। বর্তমান এই লক্ষ্মী প্যাঁচার পরিবারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে শত ব্যস্ততা ও কংক্রিটের ভিড়েও প্রকৃতি তার নিজস্ব বৈচিত্র্য নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ততম শহর নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইড এলাকায় সম্প্রতি এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। একটি আবাসিক ভবনের ছাদের পানির ট্যাংকের ওপর বিরল প্রজাতির একদল বার্ন আউল বা লক্ষ্মীপ্যাঁচা বাসা বেঁধেছে। এই প্যাঁচাগুলোর উপস্থিতি এবং তাদের বিচরণ ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পর্যটকদেরও দারুণভাবে বিমোহিত করছে। পাখিপ্রেমী ও আলোকচিত্রীরা প্রতিদিন এই বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে ভিড় জমাচ্ছেন। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ইতিহাসের নথিপত্র অনুযায়ী ম্যানহাটন শহরে এই প্রজাতির প্যাঁচার বাসা বাঁধার এটিই প্রথম ঘটনা।
স্থানীয় এক বাসিন্দা এলিজাবেথ উইলিয়ামস ও তাঁর স্বামী প্রথম বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সংবাদমাধ্যমকে জানান। এর আগে তাঁরা নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টের জানালার কার্নিশে একটি প্যাঁচা বসে থাকতে দেখেছিলেন। এ বিষয়ে এলিজাবেথ জানান যে, কংক্রিটের এই মহানগরে সাধারণত প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ কম থাকে, কিন্তু এবার প্রকৃতি নিজেই তাঁদের জানালায় ধরা দিয়েছে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব অব অর্নিথোলজির পরিবেশবিদ অ্যান্ড্রু ফার্নসওয়ার্থ এই ঘটনাকে অত্যন্ত বিস্ময়কর ও বিরল বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, পাখি পর্যবেক্ষকদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় ম্যানহাটন এলাকায় এ ধরনের প্যাঁচার বাসা বাঁধার কোনো পূর্ব রেকর্ড নেই।
ম্যানহাটনভিত্তিক পাখিপ্রেমী ডেভিড ব্যারেট জানিয়েছেন যে তিনি ওই পানির ট্যাংকের আশপাশে অন্তত একটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচা ও পাঁচটি উড়তে শেখা ছানা দেখেছেন। তাঁর পর্যবেক্ষণে একটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচাকে ইঁদুর শিকার করে বাসায় ফিরতেও দেখা গেছে। সেখানে সম্ভবত দুটি পূর্ণবয়স্ক প্যাঁচা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আবার কোনো কোনো আলোকচিত্রী সেখানে ছয়টি ছানা দেখার দাবিও করেছেন। নিউইয়র্ক বার্ড অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক জেসিকা উইলসন জানিয়েছেন, প্যাঁচার নিশাচর স্বভাব ও রহস্যময় উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ এদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, যার ফলে সন্ধ্যার পর রাস্তায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় বাড়ছে।
তবে এত আনন্দের মাঝেও এই বিরল পাখি পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিউইয়র্ক রাজ্যের পরিবেশ সংরক্ষণ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যটিতে বর্তমানে লক্ষ্মী প্যাঁচার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে। পাখিপ্রেমীদের আশঙ্কা, নগরীতে ইঁদুর মারার জন্য যেসব বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, প্যাঁচাগুলো সেই বিষাক্ত ইঁদুর শিকার করলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়তে পারে। এর আগেও নিউইয়র্কে বিভিন্ন সময় বিশেষ প্রজাতির পাখি নগরবাসীর ভালোবাসা কুড়িয়েছিল। বর্তমান এই লক্ষ্মী প্যাঁচার পরিবারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে শত ব্যস্ততা ও কংক্রিটের ভিড়েও প্রকৃতি তার নিজস্ব বৈচিত্র্য নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে।