আপডেট সময়
১০:৩১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
০
বার পড়া হয়েছে
পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা ও খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
রাজনীতি ডেস্ক: কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে দলের বিভিন্ন স্তরে পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ এই নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, সাংগঠনিক পদ দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন সময়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ এবং উপহার হিসেবে খাসি আদায় করা হয়েছে। এই ধরণের কর্মকাণ্ডের কারণে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা মারাত্মভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন তৃণমূলে থাকা সচেতন নেতাকর্মীরা।অভিযোগের বিষয়ে জানা গেছে, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়ার আশায় অনেক সহজ-সরল নেতাকর্মী এই নেতার ফাঁদে পা দিয়েছেন। পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন অজুহাতে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া দলের ভেতরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক ফায়দা লোটার একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন ওই বিএনপি নেতা। ভুক্তভোগী নেতাকর্মীদের অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।রাজনীতিতে এই ধরনের অনৈতিক চর্চা ও পদ বাণিজ্যের ঘটনা সামনে আসায় স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীরা এমন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, ত্যাগী মূল্যায়ন না করে যদি এভাবে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়, তবে তা দলের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দেবে। সাধারণ কর্মীরা অবিলম্বে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী তার বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তার মতে, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এই বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। স্থানীয় রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মুখে মুখেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
রাজনীতি ডেস্ক: কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনীর বিরুদ্ধে দলের বিভিন্ন স্তরে পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ এই নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলেছেন। তাদের দাবি, সাংগঠনিক পদ দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন সময়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ এবং উপহার হিসেবে খাসি আদায় করা হয়েছে। এই ধরণের কর্মকাণ্ডের কারণে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা মারাত্মভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন তৃণমূলে থাকা সচেতন নেতাকর্মীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানা গেছে, দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নেওয়ার আশায় অনেক সহজ-সরল নেতাকর্মী এই নেতার ফাঁদে পা দিয়েছেন। পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন অজুহাতে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া দলের ভেতরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার এবং আর্থিক ফায়দা লোটার একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছিলেন ওই বিএনপি নেতা। ভুক্তভোগী নেতাকর্মীদের অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
রাজনীতিতে এই ধরনের অনৈতিক চর্চা ও পদ বাণিজ্যের ঘটনা সামনে আসায় স্থানীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করা ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীরা এমন কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, ত্যাগী মূল্যায়ন না করে যদি এভাবে অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়, তবে তা দলের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দেবে। সাধারণ কর্মীরা অবিলম্বে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী তার বিরুদ্ধে ওঠা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তার মতে, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে এই বিষয়ে দলের উচ্চপর্যায় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। স্থানীয় রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মুখে মুখেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।