আপডেট সময়
০৮:০০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
দেশে প্রথমবারের মতো সিরাজগঞ্জে ‘চর উৎসব’
জাতীয় ডেস্ক: যমুনা নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা বিশাল বালুচর এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘চর উৎসব’। চরাঞ্চলের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পর্যটনের মূল ধারায় যুক্ত করার পাশাপাশি শহর ও চরের মানুষের মধ্যকার দূরত্ব কমানোর এক অভিনব প্রয়াস হিসেবে এই আয়োজন করা হয়। সমবায় ও সামাজিক সংগঠন ‘সমধারা’ এবং পর্যটন উদ্যোগ ‘স্মার্ট ট্যুরিজমের’ যৌথ উদ্যোগে মেছড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে দিনব্যাপী এই বর্ণিল উৎসবের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপালুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবে যমুনার বুকে রোমাঞ্চকর নৌভ্রমণ, আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি ওড়ানো এবং সুরের মূর্ছনায় মুখরিত বাউলসংগীতের আসর দর্শকদের দারুণভাবে বিমোহিত করে। শুধু বিনোদনই নয়, উৎসবে পরিবেশিত হয় সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবার পিটুলি, যা কলাপাতায় পরিবেশন করার মাধ্যমে গ্রামীণ সংস্কৃতির আসল রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়। এছাড়া পুরো উৎসবের সাজসজ্জায় সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত জিআই পণ্য গামছার নান্দনিক ব্যবহার সবার নজর কাড়ে। বিশেষ করে উপস্থিত শিশুদের হাতে ঘুড়ি ও মুখরোচক খাবার তুলে দেওয়ায় পুরো চরাঞ্চল এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, যমুনার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ভিলেজ ট্যুরিজম বা গ্রামীণ পর্যটনের অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে, যা এতদিন যথাযথভাবে বিকশিত হয়নি। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে গ্রামীণ শিকড়ের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণই এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল। সমধারার সভাপতি ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল সাফি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতীক মাহমুদ মনে করেন, এ ধরনের উৎসবের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে শহরের মানুষের মেলবন্ধন তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ চরাঞ্চলকে দেশের একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্মার্ট ট্যুরিজমের প্রতিষ্ঠাতা মো. আসলাম উদ্দিন উল্লেখ করেন, দেশের পর্যটন মানচিত্রে চরাঞ্চলকে নতুন পরিচয়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই চর উৎসব একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও নান্দনিক আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ পর্যটনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, এই জমকালো উৎসবে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক, বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক, স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরাও সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। সব মিলিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সিরাজগঞ্জের পর্যটন খাত ও স্থানীয় সংস্কৃতি বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
জাতীয় ডেস্ক: যমুনা নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা বিশাল বালুচর এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রাকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘চর উৎসব’। চরাঞ্চলের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পর্যটনের মূল ধারায় যুক্ত করার পাশাপাশি শহর ও চরের মানুষের মধ্যকার দূরত্ব কমানোর এক অভিনব প্রয়াস হিসেবে এই আয়োজন করা হয়। সমবায় ও সামাজিক সংগঠন ‘সমধারা’ এবং পর্যটন উদ্যোগ ‘স্মার্ট ট্যুরিজমের’ যৌথ উদ্যোগে মেছড়া ইউনিয়নের চরাঞ্চলে দিনব্যাপী এই বর্ণিল উৎসবের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপালুরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবে যমুনার বুকে রোমাঞ্চকর নৌভ্রমণ, আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি ওড়ানো এবং সুরের মূর্ছনায় মুখরিত বাউলসংগীতের আসর দর্শকদের দারুণভাবে বিমোহিত করে। শুধু বিনোদনই নয়, উৎসবে পরিবেশিত হয় সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু খাবার পিটুলি, যা কলাপাতায় পরিবেশন করার মাধ্যমে গ্রামীণ সংস্কৃতির আসল রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়। এছাড়া পুরো উৎসবের সাজসজ্জায় সিরাজগঞ্জের বিখ্যাত জিআই পণ্য গামছার নান্দনিক ব্যবহার সবার নজর কাড়ে। বিশেষ করে উপস্থিত শিশুদের হাতে ঘুড়ি ও মুখরোচক খাবার তুলে দেওয়ায় পুরো চরাঞ্চল এক আনন্দঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়।
আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, যমুনার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ভিলেজ ট্যুরিজম বা গ্রামীণ পর্যটনের অপার সম্ভাবনা লুকিয়ে রয়েছে, যা এতদিন যথাযথভাবে বিকশিত হয়নি। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে গ্রামীণ শিকড়ের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণই এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল। সমধারার সভাপতি ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল সাফি এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতীক মাহমুদ মনে করেন, এ ধরনের উৎসবের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গে শহরের মানুষের মেলবন্ধন তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ চরাঞ্চলকে দেশের একটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্মার্ট ট্যুরিজমের প্রতিষ্ঠাতা মো. আসলাম উদ্দিন উল্লেখ করেন, দেশের পর্যটন মানচিত্রে চরাঞ্চলকে নতুন পরিচয়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই চর উৎসব একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও নান্দনিক আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামীণ পর্যটনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, এই জমকালো উৎসবে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক, বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক, স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরাও সশরীরে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। সব মিলিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সিরাজগঞ্জের পর্যটন খাত ও স্থানীয় সংস্কৃতি বিকাশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।