আপডেট সময়
০৬:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১
বার পড়া হয়েছে
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: ঢাকাসহ সারা দেশকে জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শহরে রূপান্তর করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি জাপানের টোকিওর হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশদূষণ রোধ, সঠিক উপায়ে আবর্জনা অপসারণ, বায়ুর মানোন্নয়ন এবং দেশজুড়ে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য বসবাস উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বর্জ্য এবং বায়ুদূষণের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন যে সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিকল্প নেই।প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামনে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যে উদ্যোগগুলো সরাসরি ভূমিকা রাখে, সেগুলোকে তিনি প্রকৃত সংস্কার বলে মনে করেন। তিনি আরও বলেন যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের বড় বড় সংস্কারের চেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে এমন পদক্ষেপই বেশি জরুরি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিশুদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের সুফল সমাজের রিকশাচালক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ প্রতিটি স্তরের মানুষ ভোগ করবে।সরকারের এই জনকল্যাণমুখী সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল নানা চক্রান্ত চালাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন যে প্রান্তিক মানুষ যাতে উপকৃত না হয়, সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাই দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে এই সংস্কার কাজগুলোকে সমর্থনের মাধ্যমে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তার এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা তুমুল করতালির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেন।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং জাপানি ভাষা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। পরিশেষে, কাঙ্ক্ষিত একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন সরকারপ্রধান।
জাতীয় ডেস্ক: ঢাকাসহ সারা দেশকে জাপানের রাজধানী টোকিওর মতো একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শহরে রূপান্তর করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি জাপানের টোকিওর হোটেল নিউ ওতানিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, পরিবেশদূষণ রোধ, সঠিক উপায়ে আবর্জনা অপসারণ, বায়ুর মানোন্নয়ন এবং দেশজুড়ে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য বসবাস উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা বর্জ্য এবং বায়ুদূষণের নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন যে সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিকল্প নেই।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামনে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান যে প্রান্তিক ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যে উদ্যোগগুলো সরাসরি ভূমিকা রাখে, সেগুলোকে তিনি প্রকৃত সংস্কার বলে মনে করেন। তিনি আরও বলেন যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরের বড় বড় সংস্কারের চেয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে এমন পদক্ষেপই বেশি জরুরি। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিশুদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের সুফল সমাজের রিকশাচালক থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ প্রতিটি স্তরের মানুষ ভোগ করবে।
সরকারের এই জনকল্যাণমুখী সংস্কার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল নানা চক্রান্ত চালাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উপস্থিত প্রবাসীদের উদ্দেশে বলেন যে প্রান্তিক মানুষ যাতে উপকৃত না হয়, সে ধরনের পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাই দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে এই সংস্কার কাজগুলোকে সমর্থনের মাধ্যমে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তার এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা তুমুল করতালির মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং জাপানি ভাষা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা আধুনিকায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণ, বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। পরিশেষে, কাঙ্ক্ষিত একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দেশবাসীর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন সরকারপ্রধান।