ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’ Logo জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির Logo স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে কমনওয়েলথে বাংলাদেশের পদক Logo ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৪৮ কেন্দ্রের ফলে কে এগিয়ে Logo বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এলপিজি ব্যবসায়ীদের মাফিয়া বলায় শুনানিতে হট্টগোল Logo সারা দেশের বাস্তুচ্যুত মানুষের দায়িত্ব ডিএসসিসি নিতে পারবে না: আবদুস সালাম Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি Logo বাংলাদেশের শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে আগ্রহী কানাডা Logo মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের সুযোগ নেই: জামায়াত আমির
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গে বিভিন্ন বড় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে এই জোটে যুক্ত থাকার কারণে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা মন্থর হয়ে পড়েছে এবং একক দল হিসেবে নিজেদের পরিচিতি জনসমক্ষে কতটা জোরালো হচ্ছে, তা নিয়ে দলের ভেতর নানা আলোচনা চলছে। জোটের কর্মসূচির সুফল এককভাবে ঘরে তুলতে না পারার সংশয় থেকে দলের নীতিনির্ধারকেরা এখন নিজস্ব রাজনৈতিক কৌশল নতুন করে সাজানোর কথা ভাবছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় পৃথক রাজনৈতিক সত্তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে একটি গণবিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এনসিপি। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ সফল করতে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রচার কার্যক্রমে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা অংশ নিলেও সেখানে ১১-দলীয় জোটের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কোনো প্রচার চালানো হয়নি।

এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুরের লংমার্চ কর্মসূচিতে এনসিপির শীর্ষ নেতারা সশরীরে উপস্থিত থাকলেও আসন্ন খুলনা বিভাগীয় কর্মসূচিতে দলটির অংশগ্রহণ নামমাত্র বা প্রতীকী হতে পারে বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, আগের লংমার্চগুলোতে অংশ নিলেও এবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম হয়তো সরাসরি উপস্থিত থাকবেন না এবং তাঁর পরিবর্তে প্রতিনিধি হিসেবে শুধু সারজিস আলম খুলনা যেতে পারেন। জোটের কর্মসূচিগুলো সাধারণ মানুষের কাছে মূলত জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবেই বেশি পরিচিতি পাচ্ছে, যা এনসিপির নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দলের অনেকে মনে করছেন।

যদিও এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা ভাবছে, তবুও জোটের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ইতিমধ্যে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায় থেকে নাহিদ ইসলামকে খুলনার লংমার্চে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সম্প্রতি জোটের একটি বৈঠকেও তিনি অংশ নিয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত দলটি এই লংমার্চে কী ধরনের ভূমিকা পালন করবে, তা নিশ্চিত হতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে ঢাকা মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে স্বতন্ত্র অবস্থান তুলে ধরার জন্যই মূলত এই গণবিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং মহানগর কমিটি পুনর্গঠনের চাপের অংশ হিসেবেই এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে ১১-দলীয় জোটের লংমার্চের কোনো ধরনের বিরোধ বা দ্বন্দ্ব নেই।

ট্যাগস :

‘এক সপ্তাহ ধরে বেঁচাবিক্রি নেই, কিস্তির টাকা কেমনে দেব’

জামায়াত থেকে আলাদা পরিচয় ধরে রাখতে চায় এনসিপি, লংমার্চে উপস্থিতি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা দলটির

আপডেট সময় ০৭:১৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সঙ্গে বিভিন্ন বড় কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে এই জোটে যুক্ত থাকার কারণে মাঠপর্যায়ে দলটির নিজস্ব সাংগঠনিক কার্যক্রম কিছুটা মন্থর হয়ে পড়েছে এবং একক দল হিসেবে নিজেদের পরিচিতি জনসমক্ষে কতটা জোরালো হচ্ছে, তা নিয়ে দলের ভেতর নানা আলোচনা চলছে। জোটের কর্মসূচির সুফল এককভাবে ঘরে তুলতে না পারার সংশয় থেকে দলের নীতিনির্ধারকেরা এখন নিজস্ব রাজনৈতিক কৌশল নতুন করে সাজানোর কথা ভাবছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় পৃথক রাজনৈতিক সত্তা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে একটি গণবিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এনসিপি। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ সফল করতে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক প্রচারপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। এই প্রচার কার্যক্রমে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা অংশ নিলেও সেখানে ১১-দলীয় জোটের খুলনা অভিমুখী লংমার্চের পক্ষে কোনো প্রচার চালানো হয়নি।

এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুরের লংমার্চ কর্মসূচিতে এনসিপির শীর্ষ নেতারা সশরীরে উপস্থিত থাকলেও আসন্ন খুলনা বিভাগীয় কর্মসূচিতে দলটির অংশগ্রহণ নামমাত্র বা প্রতীকী হতে পারে বলে জানা গেছে। অভ্যন্তরীণ সূত্র জানিয়েছে, আগের লংমার্চগুলোতে অংশ নিলেও এবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম হয়তো সরাসরি উপস্থিত থাকবেন না এবং তাঁর পরিবর্তে প্রতিনিধি হিসেবে শুধু সারজিস আলম খুলনা যেতে পারেন। জোটের কর্মসূচিগুলো সাধারণ মানুষের কাছে মূলত জামায়াতের কর্মসূচি হিসেবেই বেশি পরিচিতি পাচ্ছে, যা এনসিপির নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দলের অনেকে মনে করছেন।

যদিও এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা সাংগঠনিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা ভাবছে, তবুও জোটের সঙ্গে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ইতিমধ্যে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায় থেকে নাহিদ ইসলামকে খুলনার লংমার্চে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং সম্প্রতি জোটের একটি বৈঠকেও তিনি অংশ নিয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত দলটি এই লংমার্চে কী ধরনের ভূমিকা পালন করবে, তা নিশ্চিত হতে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে ঢাকা মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে স্বতন্ত্র অবস্থান তুলে ধরার জন্যই মূলত এই গণবিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং মহানগর কমিটি পুনর্গঠনের চাপের অংশ হিসেবেই এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে ১১-দলীয় জোটের লংমার্চের কোনো ধরনের বিরোধ বা দ্বন্দ্ব নেই।