ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ Logo লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল Logo ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত ওলেশকিতে শেষ হলো যুদ্ধবিরতি Logo পাস করলেও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে অনিশ্চয়তা Logo উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন Logo ৩৩ বস্তা সরকারি চাল জব্দ, ইউএনও বলছেন ২৪—বাকি ৯ বস্তা কোথায় Logo চরফ্যাশনে ৪৫৫ একর জমি নিয়ে বিপাকে ২৩০ ভূমিহীন পরিবার, এমপির কাছে আবেদন Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক-গ্রেপ্তার ৪৯ জন Logo অবিশ্বাস্য কম মূল্যে বারডেমে ক্যানসার পরীক্ষা, জানা যাচ্ছে চিকিৎসার ধরনও
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী এলাকায় মাটির নিচ থেকে নির্গত গ্যাসের আগুনে নতুন খনিজসম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় গভীর পাইপ বসানোর পর সেখান থেকে প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন ধরে যায়। টানা কয়েক দিন ধরে এই আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভূতত্ত্ববিদদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান তেল বা কনডেনসেট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি একটি অগভীর গ্যাসের মজুত হতে পারে, যা সাধারণত ভূগর্ভের তুলনামূলক কম গভীরে পাওয়া যায়। গ্যাসের উৎস, ধরন এবং প্রকৃত মজুতের পরিমাণ সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আগামী পনেরো দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আগুনের তীব্রতা ও গ্যাসের নির্গমনের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পর্যবেক্ষণের এই সময় শেষে যদি আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প বা রিলিফ কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হবে। পাশাপাশি, এই উৎস থেকে উৎপাদনে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক জ্বালানি পাওয়া গেলে এটি দেশের এক নতুন খনিজ কূপ হিসেবে যুক্ত হতে পারে। পরবর্তীতে ওই এলাকায় ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালিয়ে আশপাশের ভূগর্ভস্থ স্তরের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হবে।

এদিকে গ্যাসের অব্যাহত আগুন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এলাকায় মাইকিং ও নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হলেও উৎসুক জনতার ভিড় পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং যাতায়াতেও নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

আপডেট সময় ০৫:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী এলাকায় মাটির নিচ থেকে নির্গত গ্যাসের আগুনে নতুন খনিজসম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় গভীর পাইপ বসানোর পর সেখান থেকে প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন ধরে যায়। টানা কয়েক দিন ধরে এই আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভূতত্ত্ববিদদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান তেল বা কনডেনসেট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি একটি অগভীর গ্যাসের মজুত হতে পারে, যা সাধারণত ভূগর্ভের তুলনামূলক কম গভীরে পাওয়া যায়। গ্যাসের উৎস, ধরন এবং প্রকৃত মজুতের পরিমাণ সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আগামী পনেরো দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আগুনের তীব্রতা ও গ্যাসের নির্গমনের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পর্যবেক্ষণের এই সময় শেষে যদি আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প বা রিলিফ কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হবে। পাশাপাশি, এই উৎস থেকে উৎপাদনে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক জ্বালানি পাওয়া গেলে এটি দেশের এক নতুন খনিজ কূপ হিসেবে যুক্ত হতে পারে। পরবর্তীতে ওই এলাকায় ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালিয়ে আশপাশের ভূগর্ভস্থ স্তরের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হবে।

এদিকে গ্যাসের অব্যাহত আগুন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এলাকায় মাইকিং ও নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হলেও উৎসুক জনতার ভিড় পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং যাতায়াতেও নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।