ঢাকা ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কারণ জানান, ন্যায্যতা নিশ্চিত করুন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চাকরি ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে নিয়োগ লাভের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রতিটি কঠিন ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পরও চূড়ান্ত গেজেটে নাম না আসায় চরম হতাশা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন একদল প্রার্থী। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি কর্তৃকাগ থেকে মেধাতালিকা অনুযায়ী চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাদের নিয়োগ ঝুলে রয়েছে। অথচ পিএসসির সুপারিশ পাওয়ার অর্থ হলো একজন প্রার্থী মেধা ও যোগ্যতার বলে সরকারি চাকরির জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত বিবেচিত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী তরুণ চাকরিপ্রার্থীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এবং একাধিক ধري পরীক্ষার বৈতরণী পার হয়ে তারা এই কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও নিয়োগের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করেও তারা এর কোনো সন্তোষজনক বা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি। এতে একদিকে যেমন তাদের ক্যারিয়ার থমকে গেছে, অন্যদিকে মানসিকভাবেও তারা ভেঙে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের দীর্ঘসূত্রিতা ও অসচ্ছতা তরুণ প্রজন্মের মেধার সঠিক মূল্যায়নকে ব্যাহত করে। পিএসসির সুপারিশের পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়াটি সাধারণত একটি রুটিন কাজ হওয়ার কথা থাকলেও, এর ব্যত্যয় ঘটায় বিভিন্ন মহле নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রার্থীরা অত্যন্ত ন্যায়সংগতভাবেই জানতে চান কোন সুনির্দিষ্ট কারণে তাদের নাম চূড়ান্ত গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তাই এই জটিলতার দ্রুত অবসান ঘটিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগের গেজেট প্রকাশের জোরালো দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী ও সচেতন মহল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই এখন তাদের একমাত্র প্রত্যাশা।

ট্যাগস :

কারণ জানান, ন্যায্যতা নিশ্চিত করুন

আপডেট সময় ০৯:৩০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

চাকরি ডেস্ক: সরকারি চাকরিতে নিয়োগ লাভের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রতিটি কঠিন ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পরও চূড়ান্ত গেজেটে নাম না আসায় চরম হতাশা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন একদল প্রার্থী। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি কর্তৃকাগ থেকে মেধাতালিকা অনুযায়ী চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাদের নিয়োগ ঝুলে রয়েছে। অথচ পিএসসির সুপারিশ পাওয়ার অর্থ হলো একজন প্রার্থী মেধা ও যোগ্যতার বলে সরকারি চাকরির জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত বিবেচিত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী তরুণ চাকরিপ্রার্থীরা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এবং একাধিক ধري পরীক্ষার বৈতরণী পার হয়ে তারা এই কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও নিয়োগের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে যোগাযোগ করেও তারা এর কোনো সন্তোষজনক বা সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি। এতে একদিকে যেমন তাদের ক্যারিয়ার থমকে গেছে, অন্যদিকে মানসিকভাবেও তারা ভেঙে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের দীর্ঘসূত্রিতা ও অসচ্ছতা তরুণ প্রজন্মের মেধার সঠিক মূল্যায়নকে ব্যাহত করে। পিএসসির সুপারিশের পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়াটি সাধারণত একটি রুটিন কাজ হওয়ার কথা থাকলেও, এর ব্যত্যয় ঘটায় বিভিন্ন মহле নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রার্থীরা অত্যন্ত ন্যায়সংগতভাবেই জানতে চান কোন সুনির্দিষ্ট কারণে তাদের নাম চূড়ান্ত গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তাই এই জটিলতার দ্রুত অবসান ঘটিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগের গেজেট প্রকাশের জোরালো দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী ও সচেতন মহল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই এখন তাদের একমাত্র প্রত্যাশা।