ঢাকা ০১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, পরীক্ষার্থীদের যে ৬ নির্দেশনা জানা জরুরি Logo এআইয়ের যুগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায় Logo অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াতে এখন একটা বড় ধাক্কা দরকার Logo মাতারবাড়ি হয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে সমুদ্রপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা জাপানের Logo আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী Logo জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সম্মিলন ২৮ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বদলে নতুন করে স্বাক্ষরের চিন্তা আত্মঘাতী Logo মেটার গিটহাবে হ্যাকারদের অনুপ্রবেশ, ১৫০০ ব্যক্তির তথ্য ফাঁস Logo মানুষের চিন্তাশক্তি বদলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Logo সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিবেশ ও আধুনিক যুদ্ধের কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সামরিক বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সামরিক বাস্তবতায় স্থল, নৌ ও আকাশপথের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কৌশল জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এসব আধুনিক প্রযুক্তির সুষম ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের তিন বাহিনীর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পেশাগত ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ অনুষ্ঠানে মোট সাতটি রেজিমেন্ট ও ব্যাটালিয়নকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা বা ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ছিল সপ্তম ও বত্রিশ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, পঁচিশ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, নবম ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ছাপ্পান্ন ও সাতাশ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট বা পিজিআর। এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও স্বাধীনতার সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের চব্বিশে মার্চ রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক প্রতিরোধ ঘোষণা এবং বাঙালি সেনাসদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য চিরপ্রেরণার উৎস। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, আধুনিক সামরিক বাহিনীর মূল শক্তি কেবল অস্ত্রশস্ত্র বা জনবল নয়; এর প্রকৃত ভিত্তি হলো কঠোর শৃঙ্খলা, পেশাদারি, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের অটুট আস্থা। এ সময় তিনি সংবিধান, দেশের প্রচলিত আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

সামরিক খাতকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করার বৃহৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র উৎপাদনের লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষ সত্ত্বেও মানবসম্পদের বিকল্প কিছু হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি, সেনাসদস্যদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় তাদের বেতন-ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় চিন্তাভাবনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :

২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, পরীক্ষার্থীদের যে ৬ নির্দেশনা জানা জরুরি

আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:১৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিবেশ ও আধুনিক যুদ্ধের কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সামরিক বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সামরিক বাস্তবতায় স্থল, নৌ ও আকাশপথের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ড্রোন প্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ কৌশল জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এসব আধুনিক প্রযুক্তির সুষম ব্যবহারের পাশাপাশি দেশের তিন বাহিনীর মধ্যে একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পেশাগত ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ অনুষ্ঠানে মোট সাতটি রেজিমেন্ট ও ব্যাটালিয়নকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা বা ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ছিল সপ্তম ও বত্রিশ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, পঁচিশ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, নবম ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ছাপ্পান্ন ও সাতাশ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট বা পিজিআর। এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও স্বাধীনতার সঙ্গে এর নিবিড় সম্পর্কের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের চব্বিশে মার্চ রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক প্রতিরোধ ঘোষণা এবং বাঙালি সেনাসদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য চিরপ্রেরণার উৎস। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, আধুনিক সামরিক বাহিনীর মূল শক্তি কেবল অস্ত্রশস্ত্র বা জনবল নয়; এর প্রকৃত ভিত্তি হলো কঠোর শৃঙ্খলা, পেশাদারি, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও জনগণের অটুট আস্থা। এ সময় তিনি সংবিধান, দেশের প্রচলিত আইন এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে সেনাসদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।

সামরিক খাতকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করার বৃহৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র উৎপাদনের লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষ সত্ত্বেও মানবসম্পদের বিকল্প কিছু হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি, সেনাসদস্যদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় তাদের বেতন-ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় চিন্তাভাবনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।