ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, পরীক্ষার্থীদের যে ৬ নির্দেশনা জানা জরুরি Logo এআইয়ের যুগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায় Logo অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াতে এখন একটা বড় ধাক্কা দরকার Logo মাতারবাড়ি হয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে সমুদ্রপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা জাপানের Logo আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী Logo জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ সম্মিলন ২৮ নভেম্বর, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী Logo গঙ্গা চুক্তি নবায়নের বদলে নতুন করে স্বাক্ষরের চিন্তা আত্মঘাতী Logo মেটার গিটহাবে হ্যাকারদের অনুপ্রবেশ, ১৫০০ ব্যক্তির তথ্য ফাঁস Logo মানুষের চিন্তাশক্তি বদলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা Logo সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাতটি নতুন ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ এই ইউনিটগুলোর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে নির্ধারিত সময়ে এই পতাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়, যা সেনাসদস্যদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

এর আগে সকালে রাজধানী ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সামরিক প্রথা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় অভিবাদন বা গার্ড অব অনার প্রদান করে।

গার্ড অব অনার গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবগঠিত ইউনিটগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে অনুষ্ঠানে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় পতাকা প্রাপ্ত ইউনিটগুলোর কমান্ডারদের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়। অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ এই আয়োজনে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা সেনাসদস্যদের মনোবল ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

২০২৭ সালের এসএসসির ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা, পরীক্ষার্থীদের যে ৬ নির্দেশনা জানা জরুরি

সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাতটি নতুন ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ এই ইউনিটগুলোর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকালে নির্ধারিত সময়ে এই পতাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়, যা সেনাসদস্যদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

এর আগে সকালে রাজধানী ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সামরিক প্রথা অনুযায়ী সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত ও চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় অভিবাদন বা গার্ড অব অনার প্রদান করে।

গার্ড অব অনার গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং প্যারেড পরিদর্শন করেন। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবগঠিত ইউনিটগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদার নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে বলে অনুষ্ঠানে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় পতাকা প্রাপ্ত ইউনিটগুলোর কমান্ডারদের হাতে পতাকা তুলে দেওয়া হয়। অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ এই আয়োজনে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনা সেনাসদস্যদের মনোবল ও পেশাগত দায়িত্ববোধকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।