আপডেট সময়
১০:১৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
সরকার আমার পক্ষে, ক্যাম্পাসে ফিরবো না এই শর্ত দেইনি: চুয়েট ভিসি
শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং দুই দিন রুটিন দায়িত্ব পালনকারী ড. আরাফাত রহমান রানাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি গভীর রাতে এক লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান প্রশাসনিক অচলাবস্থা এবং উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের জেরে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ড. আরাফাত রহমান রানার কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলেছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমন্বয় না করেই তিনি বিতর্কিত অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এসব ঘটনায় তাঁর নিরপেক্ষতা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের পরিপন্থী ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া উপাচার্য কার্যালয়সংলগ্ন ভবনে বিভিন্ন চিহ্নিত ও বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের প্রবেশে তিনি প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।এদিকে টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার হওয়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম দাবি করেছেন যে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে তাঁর পক্ষে। সম্প্রতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জানান যে, দ্রুত সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে পরামর্শ দিয়েছে সরকার। তবে ক্যাম্পাসে আর ফিরবেন না এমন কোনো শর্ত দিয়ে দীর্ঘ অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে তিনি মুক্তি পাননি বলেও স্পষ্ট করেন। উল্লেখ্য, টানা ত্রিশ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিউদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত করে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র অসন্তোষ ও আন্দোলন শুরু হয়। এই নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংকট কাটছে না। আন্দোলনের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি কী হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে টানাপোড়েন এখনো অব্যাহত রয়েছে।
শিক্ষা ডেস্ক: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং দুই দিন রুটিন দায়িত্ব পালনকারী ড. আরাফাত রহমান রানাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি গভীর রাতে এক লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান প্রশাসনিক অচলাবস্থা এবং উদ্ভূত বিভিন্ন সংকটের জেরে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ড. আরাফাত রহমান রানার কিছু বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল করে তুলেছে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা সমন্বয় না করেই তিনি বিতর্কিত অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এসব ঘটনায় তাঁর নিরপেক্ষতা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থের পরিপন্থী ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়া উপাচার্য কার্যালয়সংলগ্ন ভবনে বিভিন্ন চিহ্নিত ও বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের প্রবেশে তিনি প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে টানা ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর উদ্ধার হওয়া চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম দাবি করেছেন যে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে তাঁর পক্ষে। সম্প্রতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি জানান যে, দ্রুত সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে পরামর্শ দিয়েছে সরকার। তবে ক্যাম্পাসে আর ফিরবেন না এমন কোনো শর্ত দিয়ে দীর্ঘ অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে তিনি মুক্তি পাননি বলেও স্পষ্ট করেন। উল্লেখ্য, টানা ত্রিশ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিউদ্দীনের স্থলাভিষিক্ত করে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র অসন্তোষ ও আন্দোলন শুরু হয়। এই নিয়োগের প্রতিবাদে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও সংকট কাটছে না। আন্দোলনের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি কী হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে টানাপোড়েন এখনো অব্যাহত রয়েছে।