ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানসহ যা আছে বাংলাদেশ–জাপান যৌথ ঘোষণায় Logo বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল Logo নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর Logo ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু বৃহস্পতিবার, অংশগ্রহণে ২০টিরও বেশি দেশ Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু Logo এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা Logo গ্রিড বিপর্যয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সচিবালয়সহ ঢাকা ও চট্টগ্রামের অনেক এলাকা Logo জাল সনদে চাকরি: প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা Logo শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা Logo ইসলামী ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ১৫ জনের নামে মামলা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত আক্রমণ বা মব জাস্টিসের মুখোমুখি হবেন না। বরং তাঁকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে এই অবস্থান তুলে ধরে জানান যে, পলাতক বা দেশ ছেড়ে যাওয়া নেতাদের জোরপূর্বক ধরে আনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং তাঁরা যদি নিজ ইচ্ছায় দেশে ফেরেন, তবে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। সরকারের এই দায়িত্বশীল মনোভাব দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিগত সরকারের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার বারবারই আইনের শাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে যাতে কোনোভাবেই দেশে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি না হয়। বিচারবহির্ভূত যেকোনো পদক্ষেপ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, তাই আইনি পথেই অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজও সরকারের এই আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

সব মিলিয়ে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সঠিক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের এই বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোনো ধরনের প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের পরিবর্তে আইনকে তার নিজের গতিতে চলতে দেওয়ার ঘোষণা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে সহায়তা করবে। আগামী দিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন হয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

ট্যাগস :

১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানসহ যা আছে বাংলাদেশ–জাপান যৌথ ঘোষণায়

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত আক্রমণ বা মব জাস্টিসের মুখোমুখি হবেন না। বরং তাঁকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে এই অবস্থান তুলে ধরে জানান যে, পলাতক বা দেশ ছেড়ে যাওয়া নেতাদের জোরপূর্বক ধরে আনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং তাঁরা যদি নিজ ইচ্ছায় দেশে ফেরেন, তবে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। সরকারের এই দায়িত্বশীল মনোভাব দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিগত সরকারের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার বারবারই আইনের শাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে যাতে কোনোভাবেই দেশে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি না হয়। বিচারবহির্ভূত যেকোনো পদক্ষেপ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, তাই আইনি পথেই অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজও সরকারের এই আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

সব মিলিয়ে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সঠিক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের এই বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোনো ধরনের প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের পরিবর্তে আইনকে তার নিজের গতিতে চলতে দেওয়ার ঘোষণা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে সহায়তা করবে। আগামী দিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন হয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।