আপডেট সময়
০৪:১৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী
জাতীয় ডেস্ক: সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করায় আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে ঢাকা থেকে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইট চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা-রিয়াদ আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা বিমান চলাচল খাতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।এর আগে সৌদি এয়ারলাইনস থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট বাতিলের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে গত বুধবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রেকর্ডসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পাঠানো সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার এক দিনেই মোট ১৫৩টি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ছিল ৭৬টি এবং বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল ৭৭টি। হুট করে এতগুলো ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিমানবন্দরে কর্মরত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যেও চরম ব্যস্ততা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২০টি, রিয়াদ এয়ারের ১৩টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় ছিল ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট।হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া এই বিশাল সংখ্যক ফ্লাইটে মোট ২২ হাজার ৬৩৬ জন যাত্রী আটকা পড়েছেন এবং তাদের অনেকে বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকে থাকা এসব যাত্রীকে কীভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলো বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
জাতীয় ডেস্ক: সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করায় আন্তর্জাতিক রুটে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এর ফলে ঢাকা থেকে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন গন্তব্যের ফ্লাইট চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা-রিয়াদ আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা বিমান চলাচল খাতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।
এর আগে সৌদি এয়ারলাইনস থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট বাতিলের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। এর ফলে গত বুধবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রেকর্ডসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করা হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি বড় ঘটনা।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পাঠানো সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার এক দিনেই মোট ১৫৩টি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ছিল ৭৬টি এবং বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল ৭৭টি। হুট করে এতগুলো ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিমানবন্দরে কর্মরত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যেও চরম ব্যস্ততা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।
বাতিল হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২০টি, রিয়াদ এয়ারের ১৩টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় ছিল ইন্ডিগোর ৩০টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইট।
হঠাৎ করে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া এই বিশাল সংখ্যক ফ্লাইটে মোট ২২ হাজার ৬৩৬ জন যাত্রী আটকা পড়েছেন এবং তাদের অনেকে বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আটকে থাকা এসব যাত্রীকে কীভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলো বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।