আপডেট সময়
০১:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
রাজধানী থেকে সাবেক দুই মেয়রসহ ৩ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর থানা এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন এই তিনজন নেতা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।গ্রেপ্তার হওয়া এই তিন নেতার মধ্যে দু'জন বিভিন্ন সময়ে পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্যজন একটি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন আবুল কালাম আজাদ, যিনি ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র; মোখলেসুর রহমান, যিনি একই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং শহিদুল ইসলাম, যিনি আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র। স্থানীয় পর্যায় থেকে আত্মগোপন করার উদ্দেশ্যে তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত এই তিন নেতা গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার একটি ফ্ল্যাটে বসে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নানা ধরনের গোপন পরিকল্পনা করছিলেন। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং রাজধানীতে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানোর পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। মূলত রাজধানীর ভেতরে থেকে গোপনে দলীয় নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন এবং নাশকতামূলক তৎপরতা উস্কে দেওয়াই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে এই আটকের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃত তিন নেতার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার বিস্তারিত উদ্ঘাটনে রিমান্ডের আবেদন জানানো হতে পারে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাজনীতি ডেস্ক: রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সম্প্রতি মোহাম্মদপুর থানা এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের আটক করে। পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন এই তিনজন নেতা। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া এই তিন নেতার মধ্যে দু’জন বিভিন্ন সময়ে পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অন্যজন একটি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন আবুল কালাম আজাদ, যিনি ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র; মোখলেসুর রহমান, যিনি একই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং শহিদুল ইসলাম, যিনি আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র। স্থানীয় পর্যায় থেকে আত্মগোপন করার উদ্দেশ্যে তারা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানী ঢাকায় অবস্থান করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত এই তিন নেতা গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার একটি ফ্ল্যাটে বসে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নানা ধরনের গোপন পরিকল্পনা করছিলেন। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতেন এবং রাজধানীতে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানোর পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। মূলত রাজধানীর ভেতরে থেকে গোপনে দলীয় নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন এবং নাশকতামূলক তৎপরতা উস্কে দেওয়াই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের পক্ষ থেকে এই আটকের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেপ্তারকৃত তিন নেতার বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার বিস্তারিত উদ্ঘাটনে রিমান্ডের আবেদন জানানো হতে পারে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।