ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ভৈরবে ফিরছে বিতর্কচর্চার সুদিন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও মননশীল কর্মকাণ্ডে এক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর এই জনপদের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে আবারও ফিরে আসছে যুক্তিবাদী তার্কিকদের সরব উপস্থিতি। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা বলার জড়তা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস অর্জনের এক দারুণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে এই বিতর্কচর্চা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রবণতা শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো বক্তাই বানাচ্ছে না, বরং তাদের চিন্তাশক্তিকেও শাণিত করছে।

স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে একে একে গড়ে উঠছে নতুন বিতর্ক ক্লাব। এসব সংগঠনের উদ্যোগে নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ কর্মশালা এবং বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রতিযোগিতা। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় তরুণ শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক পড়ার পাশাপাশি যুক্তির লড়াইয়ে নিজেদের মুন্সিয়ানা দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে ক্লাস বা পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে সমসাময়িক নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে তাদের এই ভাবনাগুলো দারুণ প্রশংসিত হচ্ছে।

আগে শুধু মাতৃভাষায় বিতর্ক আয়োজনের প্রচলন থাকলেও বর্তমানে এর পরিধি অনেকটাই প্রসারিত হয়েছে। ভৈরবের এই উদীয়মান তার্কিকরা এখন বাংলা বিতর্কের পাশাপাশি সমান তালে ইংরেজি বিতর্কেও নিজেদের পারদর্শিতা প্রমাণ করছে। বিশ্বায়নের এই যুগে ইংরেজি ভাষায় সাবলীলভাবে যুক্তি উপস্থাপন ও মুক্তমনা বিতর্কে অংশ নেওয়ার দক্ষতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষার্থী ও সংগঠকদের মতে, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই বিতর্ক আন্দোলন আরও বেশি গতিশীল রূপ লাভ করবে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা অব্যাহত থাকলে কিশোর সমাজ মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে একটি আলোকিত ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

ট্যাগস :

দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য কারখানায় বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ

ভৈরবে ফিরছে বিতর্কচর্চার সুদিন

আপডেট সময় ০৪:০০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও মননশীল কর্মকাণ্ডে এক ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন স্থবির থাকার পর এই জনপদের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে আবারও ফিরে আসছে যুক্তিবাদী তার্কিকদের সরব উপস্থিতি। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা বলার জড়তা কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস অর্জনের এক দারুণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে এই বিতর্কচর্চা। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রবণতা শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো বক্তাই বানাচ্ছে না, বরং তাদের চিন্তাশক্তিকেও শাণিত করছে।

স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ঘটাতে একে একে গড়ে উঠছে নতুন বিতর্ক ক্লাব। এসব সংগঠনের উদ্যোগে নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ কর্মশালা এবং বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রতিযোগিতা। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় তরুণ শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক পড়ার পাশাপাশি যুক্তির লড়াইয়ে নিজেদের মুন্সিয়ানা দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। বিশেষ করে ক্লাস বা পরীক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে সমসাময়িক নানা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে তাদের এই ভাবনাগুলো দারুণ প্রশংসিত হচ্ছে।

আগে শুধু মাতৃভাষায় বিতর্ক আয়োজনের প্রচলন থাকলেও বর্তমানে এর পরিধি অনেকটাই প্রসারিত হয়েছে। ভৈরবের এই উদীয়মান তার্কিকরা এখন বাংলা বিতর্কের পাশাপাশি সমান তালে ইংরেজি বিতর্কেও নিজেদের পারদর্শিতা প্রমাণ করছে। বিশ্বায়নের এই যুগে ইংরেজি ভাষায় সাবলীলভাবে যুক্তি উপস্থাপন ও মুক্তমনা বিতর্কে অংশ নেওয়ার দক্ষতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষার্থী ও সংগঠকদের মতে, সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই বিতর্ক আন্দোলন আরও বেশি গতিশীল রূপ লাভ করবে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা অব্যাহত থাকলে কিশোর সমাজ মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে একটি আলোকিত ও যুক্তিবাদী সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।