ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo অবশেষে খুলল ওসমানী উদ্যান, তবে ঢুকতে টিকিট লাগছে Logo কটিয়াদীর ঢাকের হাট: ৪০০ বছরের ঐতিহ্য Logo অস্থির সময়ে সংকট কাটিয়ে ওঠার পথ কোথায় Logo নাগরিকত্ব ও রেসিডেন্স পারমিট সহজ করতে নাপোলিতে ইতালিয়ান ভাষা পরীক্ষা সম্পন্ন Logo যাত্রাবিরতির দাবিতে নীলফামারীতে ট্রেন আটকে অবরোধ, ৪ ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক Logo সাবেকি ধাঁচে শাড়ি পরে উৎসবের দিনগুলোয় যেভাবে সেজেছিলেন স্বস্তিকা মুখার্জি Logo সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo সৌদি সংকটে প্রবাসী বাংলাদেশির বিপদে রাষ্ট্র কতটা প্রস্তুত? Logo চুয়াডাঙ্গায় সারের ৪৫ ডিলারের মধ্যে ৪২ জনই দলীয় লোক, অভিযোগ দুই এমপির Logo রংপুরের এক কারখানা এবার বিশ্বের সেরা নতুন ভবন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ভারতের স্বার্থকে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন করে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগ নিয়ে নতুন দিল্লিতে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওয়াশিংটনের এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রুবিও বিগত সত্তরের দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের সঙ্গে বর্তমান মার্কিন নীতির তুলনা করার বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং ভূরাজনীতি সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তৎকালীন স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের গতিপ্রকৃতির কোনো মিল নেই বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে না। ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এই বিষয়টিকে কখনোই ভারসাম্যহীনভাবে দেখে না। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগগুলোই এর বড় প্রমাণ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রুবিও আরও যোগ করেন যে, ইসলামাবাদের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগ অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব এড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রয়োজনে জরুরি এবং এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। ভারত সফরকালে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটের দ্রুত কোনো সহজ সমাধান নেই বলে স্বীকার করেন।

ট্যাগস :

অবশেষে খুলল ওসমানী উদ্যান, তবে ঢুকতে টিকিট লাগছে

ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে যা বললেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, ভারতের স্বার্থকে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন করে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগ নিয়ে নতুন দিল্লিতে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা প্রশমিত করতেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ওয়াশিংটনের এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় রুবিও বিগত সত্তরের দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের সঙ্গে বর্তমান মার্কিন নীতির তুলনা করার বিষয়টি নাকচ করে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং ভূরাজনীতি সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তৎকালীন স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতির সঙ্গে বর্তমান সময়ের গতিপ্রকৃতির কোনো মিল নেই বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সম্পৃক্ততা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক ভারতের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে না। ভারত সরকারের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন এই বিষয়টিকে কখনোই ভারসাম্যহীনভাবে দেখে না। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক চুক্তি এবং যৌথ উদ্যোগগুলোই এর বড় প্রমাণ বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রুবিও আরও যোগ করেন যে, ইসলামাবাদের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগ অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়ায় সম্ভাব্য দ্বন্দ্ব এড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রয়োজনে জরুরি এবং এই প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব। ভারত সফরকালে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের জটিলতা নিয়েও আলোচনা করেন এবং দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটের দ্রুত কোনো সহজ সমাধান নেই বলে স্বীকার করেন।