ঢাকা ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে আবার নির্দেশ দিলেন আসামের হাইকোর্ট

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসামের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় গত জুনের দিকে ওই গৃহবধূকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই আইনি প্রক্রিয়ার ত্রুটি ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনার পর মমতাজ বেগমের পরিবার ও আইজীবীরা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই শুরু করেন। তারা আদালতকে জানান যে মমতাজ বেগম প্রকৃতপক্ষে ভারতেরই নাগরিক এবং তাকে ভুলবশত বা অন্যায়ভাবে ভিন্‌দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে আদালত এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আসামের হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। আদালতের এই রায়ের ফলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত গৃহবধূকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতির ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। আদালতের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী ন্যায়বিচার পাবেন এবং খুব শীঘ্রই নিজ পরিবারে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

যাকে প্রার্থী করব, তার পক্ষে আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন: এসএম জিলানী

ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নিতে আবার নির্দেশ দিলেন আসামের হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০২:০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আসামের নগাঁও জেলার চার নম্বর ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল থেকে মমতাজ বেগম নামের এক গৃহবধূকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় গত জুনের দিকে ওই গৃহবধূকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা যায়। এই আইনি প্রক্রিয়ার ত্রুটি ও ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনার পর মমতাজ বেগমের পরিবার ও আইজীবীরা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই শুরু করেন। তারা আদালতকে জানান যে মমতাজ বেগম প্রকৃতপক্ষে ভারতেরই নাগরিক এবং তাকে ভুলবশত বা অন্যায়ভাবে ভিন্‌দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে আদালত এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আসামের হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে এই ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। আদালতের এই রায়ের ফলে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত গৃহবধূকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতির ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। আদালতের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারী ন্যায়বিচার পাবেন এবং খুব শীঘ্রই নিজ পরিবারে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।