ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী Logo রাফিয়া ব্যাগের আড়ালে মাদাগাস্কারের যে গল্প লুকিয়ে আছে Logo সংবিধান সংশোধনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ Logo পাইকারি বাজারে দাম বাড়ছে চালের, কমছে শীতের সবজির Logo শর্টকাটে টাকা ইনকামের পথ খুঁজলে ভালো আইনজীবী হওয়া যায় না: আইনমন্ত্রী Logo ৩০ কেজি চালের বদলে কেউ পেলেন ৪৫০ টাকা, কেউ কোনোটিই পাননি Logo জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি Logo তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন Logo সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের Logo হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সীমান্ত এলাকা দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া বা যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এই ধরনের বেআইনি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি অনুযায়ী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের নজরদারির মধ্যেই এই পুশব্যাকের ঘটনাগুলো ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করা অনেক মানুষকে হঠাৎ করেই নাগরিকত্বহীন বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত পার করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অমানবিক আচরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মৌলিক মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহের এমন কর্মকাণ্ড সমাজে বিভেদ ও ভীতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এভাবে সীমান্ত পার করার ঘটনা কেবল অসাংবিধানিকই নয়, বরং এটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। অবিলম্বে এই ধরনের বেআইনি ও জোরপূর্বক বিতাড়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডাক্তার তো দিতেই পারেন না, পোস্ট ভূরি ভূরি খালি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ

আপডেট সময় ১০:৪৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সীমান্ত এলাকা দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কোনো ধরনের আইনি প্রক্রিয়া বা যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে এই ধরনের বেআইনি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

মানবাধিকারকর্মীদের দাবি অনুযায়ী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের নজরদারির মধ্যেই এই পুশব্যাকের ঘটনাগুলো ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করা অনেক মানুষকে হঠাৎ করেই নাগরিকত্বহীন বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত পার করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অমানবিক আচরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মৌলিক মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংস্থাসমূহের এমন কর্মকাণ্ড সমাজে বিভেদ ও ভীতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এভাবে সীমান্ত পার করার ঘটনা কেবল অসাংবিধানিকই নয়, বরং এটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্কের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। অবিলম্বে এই ধরনের বেআইনি ও জোরপূর্বক বিতাড়ন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।