ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা Logo যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আবার ইরানে বড় হামলার ছক Logo ভারতে তিন বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন পাচার হওয়া ছয় বাংলাদেশি Logo দুর্গা বিসর্জনে শুধু সনাতনীদের প্রতিমা ছোঁয়ার নির্দেশ, অস্পৃশ্যতা ফেরানোর অভিযোগ বিরোধীদের Logo ম্যাপে আটলান্টিকের নাম বদলে নিজের নাম বসাতে গুগল সিইওকে ট্রাম্পের ফোন Logo প্রথমবারের মতো মাঠে গড়াচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ Logo টার্গেট ৪৩০, শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়! Logo গঙ্গাচড়ায় বিএনপি নেতাকে মারধর ও কার্যালয় ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ Logo ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Logo মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের শঙ্কা, তেলের দাম পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

প্রটোকল ভঙ্গের বিতর্কে সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে আমলা ও কর্মকর্তাদের প্রটোকল বা শিষ্টাচার ভঙ্গ করার প্রবণতা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আচরণে সাধারণ শিষ্টাচারের ব্যত্যয় ঘটার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে অনেকেই নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি চাকুরিজীবীদের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা এবং নির্দিষ্ট সরকারি নিয়ম ও প্রটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর উল্টো চিত্র প্রায়ই দেখা যায়, যা সামগ্রিকভাবে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরুত্ব বজায় রাখা এবং নিজেদের বিশেষ মর্যাদাবান হিসেবে জাহির করার এই মানসিকতা জনসেবামূলক কার্যক্রমের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে জবাবদিহিতার অভাব এবং তদারকি সংস্থার নমনীয় নীতিকে দায়ী করছেন অনেকে। সুশাসনের অভাব এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ কর্মকর্তাদের এমন বেপরোয়া আচরণে উৎসাহ জোগাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বারবার এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পরও যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধপ্রবণতা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ধরনের প্রটোকল লঙ্ঘনের ঘটনা রোধ করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোয় সংস্কার আনা অত্যন্ত জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত নৈতিকতা ও শিষ্টাচার বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং পেশাদার প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :

ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে কঠোর ম্যাক্রোঁ, অবৈধ সমাবেশ নিষিদ্ধের ঘোষণা

প্রটোকল ভঙ্গের বিতর্কে সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাদারত্ব নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় ১২:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সম্প্রতি বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে আমলা ও কর্মকর্তাদের প্রটোকল বা শিষ্টাচার ভঙ্গ করার প্রবণতা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আচরণে সাধারণ শিষ্টাচারের ব্যত্যয় ঘটার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসায় প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত নিয়ম উপেক্ষা করে অনেকেই নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি চাকুরিজীবীদের মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করা এবং নির্দিষ্ট সরকারি নিয়ম ও প্রটোকল কঠোরভাবে মেনে চলা। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর উল্টো চিত্র প্রায়ই দেখা যায়, যা সামগ্রিকভাবে প্রশাসনের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দূরুত্ব বজায় রাখা এবং নিজেদের বিশেষ মর্যাদাবান হিসেবে জাহির করার এই মানসিকতা জনসেবামূলক কার্যক্রমের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে জবাবদিহিতার অভাব এবং তদারকি সংস্থার নমনীয় নীতিকে দায়ী করছেন অনেকে। সুশাসনের অভাব এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ কর্মকর্তাদের এমন বেপরোয়া আচরণে উৎসাহ জোগাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বারবার এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পরও যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপরাধপ্রবণতা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ধরনের প্রটোকল লঙ্ঘনের ঘটনা রোধ করতে হলে প্রশাসনিক কাঠামোয় সংস্কার আনা অত্যন্ত জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত নৈতিকতা ও শিষ্টাচার বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং পেশাদার প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।