ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল Logo সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Logo আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম Logo ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo দর্শকের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যই যেন বেশি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার আলোচনা Logo বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী Logo ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন: জামায়াত-বিএনপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও পক্ষপাতিত্বের Logo পত্রিকা: ‘নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার’
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। তবে সামগ্রিক আয় বাড়লেও পণ্যের বহুমুখীকরণ বা বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে প্রচলিত এবং মৌলিক ক্যাটাগরির পণ্যের ওপরই এখনো অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল রয়েছে দেশের পোশাক খাত।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের ব্যবধানে পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। এই তিন মাসে দেশ থেকে সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলারের পোশাক বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়েছে। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। সেই হিসাবে বছরের ব্যবধানে এই খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ছয় শতাংশেরও বেশি, যা আর্থিক অংকে ৬০ কোটি ডলারের বেশি।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই বাড়তি রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই এসেছে সাধারণ ও মৌলিক প্রকৃতির পোশাক থেকে। গত বছরের তুলনায় এই শ্রেণির পণ্যের রপ্তানি সাত শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে আট শ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মোট পোশাক রপ্তানিতে এ ধরনের সাধারণ পণ্যের আধিপত্য আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ট্রাউজার, সোয়েটার এবং টি-শার্টের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পোশাকের বৈদেশিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক রপ্তানি চাঙ্গা রয়েছে।

অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে উন্নত এবং উচ্চমূল্যের পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকার লড়াই বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এই ক্যাটাগরির পোশাকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত মন্থর গতিতে চলছে এবং কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে বরং নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি বা পতন লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে শীতের পোশাক, স্পোর্টসওয়্যার এবং বিশেষায়িত নারী পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ার ফলে উন্নত শ্রেণির পণ্যের সামগ্রিক বাজার হিস্যা কিছুটা সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে কেবল মৌলিক পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতেই হবে। ভবিষ্যতে উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পণ্য ও কারিগরি পোশাকের উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়াতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি লাভবান হবে। নতুবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।

ট্যাগস :

দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল

পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা একটি সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। তবে সামগ্রিক আয় বাড়লেও পণ্যের বহুমুখীকরণ বা বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে খুব বেশি অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে প্রচলিত এবং মৌলিক ক্যাটাগরির পণ্যের ওপরই এখনো অতিরিক্ত মাত্রায় নির্ভরশীল রয়েছে দেশের পোশাক খাত।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের ব্যবধানে পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। এই তিন মাসে দেশ থেকে সব মিলিয়ে ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলারের পোশাক বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়েছে। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৯৯৭ কোটি ডলার। সেই হিসাবে বছরের ব্যবধানে এই খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ছয় শতাংশেরও বেশি, যা আর্থিক অংকে ৬০ কোটি ডলারের বেশি।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই বাড়তি রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই এসেছে সাধারণ ও মৌলিক প্রকৃতির পোশাক থেকে। গত বছরের তুলনায় এই শ্রেণির পণ্যের রপ্তানি সাত শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে আট শ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। মোট পোশাক রপ্তানিতে এ ধরনের সাধারণ পণ্যের আধিপত্য আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ট্রাউজার, সোয়েটার এবং টি-শার্টের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পোশাকের বৈদেশিক চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক রপ্তানি চাঙ্গা রয়েছে।

অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে উন্নত এবং উচ্চমূল্যের পোশাকের বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকার লড়াই বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এই ক্যাটাগরির পোশাকের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত মন্থর গতিতে চলছে এবং কিছু কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে বরং নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি বা পতন লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে শীতের পোশাক, স্পোর্টসওয়্যার এবং বিশেষায়িত নারী পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ার ফলে উন্নত শ্রেণির পণ্যের সামগ্রিক বাজার হিস্যা কিছুটা সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিশ্ববাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হলে কেবল মৌলিক পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমাতেই হবে। ভবিষ্যতে উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পণ্য ও কারিগরি পোশাকের উৎপাদন এবং রপ্তানি বাড়াতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও বেশি লাভবান হবে। নতুবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যাবে।