অর্থনীতি ডেস্ক: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে শিল্পকারখানার কাঁচামাল এবং বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছাতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটি শেষে দুই দেশের এই স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। কিন্তু সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর আবার বেনাপোল বন্দরের ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভারও অকার্যকর হয়ে পড়ায় ট্রাকের জট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, পূজার ছুটির ওই সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় এক হাজার চারশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ট্রাক ওপারে আটকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট গেট খুলে দেওয়া এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তারা।এদিকে ব্যবসায়ীদের করা এই অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, পূজার ছুটির কারণে সৃষ্ট জট ইতোমধ্যে অনেকটাই কমে এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ ট্রাক আটকে আছে। জট দ্রুত নিরসনের জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।
অর্থনীতি ডেস্ক: ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরে শিল্পকারখানার কাঁচামাল এবং বিভিন্ন পণ্যবোঝাই শত শত ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছাতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের অতিরিক্ত মাশুল গুনতে হচ্ছে এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছয় দিনের ছুটি শেষে দুই দেশের এই স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়। কিন্তু সাইবার হামলার ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সার্ভার দুই দিন বন্ধ রাখা হয়। এর ওপর আবার বেনাপোল বন্দরের ওয়েট স্কেলে পণ্যের ওজন মাপার সার্ভারও অকার্যকর হয়ে পড়ায় ট্রাকের জট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে।
ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, পূজার ছুটির ওই সময়ে পেট্রাপোল বন্দরে বাংলাদেশমুখী প্রায় এক হাজার চারশ পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে কিছু পচনশীল পণ্য খালাস করা হলেও এখনো উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ট্রাক ওপারে আটকা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাণিজ্য সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট গেট খুলে দেওয়া এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্টদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন তারা।
এদিকে ব্যবসায়ীদের করা এই অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, পূজার ছুটির কারণে সৃষ্ট জট ইতোমধ্যে অনেকটাই কমে এসেছে এবং বর্তমানে সেখানে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ ট্রাক আটকে আছে। জট দ্রুত নিরসনের জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।