আপডেট সময়
০৩:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
দ্রুত বিয়ে হওয়ার ৫ আমল ও দোয়া
ধর্ম ডেস্ক: বিয়ে মানবজীবনের অন্যতম পবিত্র একটি অধ্যায় এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। দ্বীনদার ও উপযুক্ত জীবনসঙ্গী লাভ করা প্রতিটি মুমিনের মনেই এক সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা থাকে। তবে বয়স বা অন্যান্য যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রায়শই নানা জটিলতার কারণে বিয়েতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব দেখা দেয়। এই ধরনের পরিস্থিতিতে তরুণ-তরুণী ও তাদের পরিবার অনেক সময় গভীর মানসিক দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যান। ইসলামি শরিয়তে এই সংকট উত্তরণে বেশ কিছু বিশেষ জিকির, দোয়া ও আমলের কথা বলা হয়েছে। নিষ্ঠার সঙ্গে এসব আমল নিয়মিত পালন করলে সৃষ্টিকর্তা বিয়ের সকল বাধা দূর করে বরকতময় ও উত্তম ফয়সালা করে দেন।বিয়ে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ইস্তিগফারের আমল অত্যন্ত কার্যকর এবং এটি নিয়মিত করা উচিত। মুখে ও অন্তরে বেশি বেশি 'আসতাগফিরুল্লাহ' পাঠ করলে বান্দার জীবনের সমস্ত জটিলতা সহজ হয়ে যায়। ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ইস্তিগফারকারী ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ তাআলা দ্রুত কবুল করেন। এর পাশাপাশি বড় ইস্তিগফার অর্থাৎ 'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি' পাঠ করাও বেশ ফলপ্রসূ। এছাড়া যাঁদের বিয়ের প্রস্তাব আসার পরও নানা কারণে সম্পন্ন হয় না, তাঁদের জন্য প্রতিদিন সকালে সূর্যোদয়ের সময় সুরা ইয়াসিন তিলাওয়াতের একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে। তিলাফতের সময় 'মুবিন' শব্দগুলো অতিক্রম করার মুহূর্তে শাহাদাত আঙুল দিয়ে উদীয়মান সূর্যের দিকে ইশারা করার কথা বলা হয়েছে।কঠিন পরিস্থিতিতে হজরত মুসা আলাইহিস সালাম যে দোয়াটি পাঠ করেছিলেন, বিয়েপ্রত্যাশী নারী-পুরুষদের জন্যও তা নিয়মিত পড়ার তাগিদ দেওয়া হয়। 'রাব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খায়রিং ফাক্বির' দোয়াটি প্রতিদিন একশবার পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা দ্রুত দ্বীনদার স্ত্রীর ব্যবস্থা করে দেন। অন্যদিকে, তরুণীরা প্রতিদিন নিয়মিত এগারো বার সুরা দুহা তিলাওয়াত করলে তাঁদের জন্য সর্বোত্তম পাত্র পাওয়ার পথ সহজ হতে পারে। পাশাপাশি, প্রতিদিন ফরজ নামাজের পর সুরা তাওবার ১২৯ নম্বর আয়াতটি তিলাওয়াত করা অত্যন্ত উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আমলগুলোর মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে নিয়মিত প্রার্থনা চালিয়ে যাওয়া উচিত।পবিত্র কোরআনে উত্তম জীবনসঙ্গী ও নেককার সন্তান লাভের জন্য একটি চমৎকার দোয়া শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। 'রাব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আইয়ুনিও ওয়াজআলনা লিলমুত্তাক্বিনা ইমামা' দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করার জন্য ধর্মভীরু মানুষেরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সুন্নাহসম্মত উপায়ে জীবনযাপন, হালাল উপার্জনের চেষ্টা এবং আল্লাহর দরবারে বিনম্রভাবে চাওয়ার মাধ্যমে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়। তাই সব ধরনের পাপাচার ও গর্হিত কাজ পরিহার করে উপরোক্ত কোরআনি আমলগুলো নিয়মিত করলে মহান আল্লাহ অতি দ্রুত উত্তম ও নেককার জীবনসঙ্গী দান করবেন ইনশা আল্লাহ।
ধর্ম ডেস্ক: বিয়ে মানবজীবনের অন্যতম পবিত্র একটি অধ্যায় এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। দ্বীনদার ও উপযুক্ত জীবনসঙ্গী লাভ করা প্রতিটি মুমিনের মনেই এক সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা থাকে। তবে বয়স বা অন্যান্য যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রায়শই নানা জটিলতার কারণে বিয়েতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব দেখা দেয়। এই ধরনের পরিস্থিতিতে তরুণ-তরুণী ও তাদের পরিবার অনেক সময় গভীর মানসিক দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যান। ইসলামি শরিয়তে এই সংকট উত্তরণে বেশ কিছু বিশেষ জিকির, দোয়া ও আমলের কথা বলা হয়েছে। নিষ্ঠার সঙ্গে এসব আমল নিয়মিত পালন করলে সৃষ্টিকর্তা বিয়ের সকল বাধা দূর করে বরকতময় ও উত্তম ফয়সালা করে দেন।
বিয়ে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ইস্তিগফারের আমল অত্যন্ত কার্যকর এবং এটি নিয়মিত করা উচিত। মুখে ও অন্তরে বেশি বেশি ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করলে বান্দার জীবনের সমস্ত জটিলতা সহজ হয়ে যায়। ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ইস্তিগফারকারী ব্যক্তির দোয়া আল্লাহ তাআলা দ্রুত কবুল করেন। এর পাশাপাশি বড় ইস্তিগফার অর্থাৎ ‘আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি’ পাঠ করাও বেশ ফলপ্রসূ। এছাড়া যাঁদের বিয়ের প্রস্তাব আসার পরও নানা কারণে সম্পন্ন হয় না, তাঁদের জন্য প্রতিদিন সকালে সূর্যোদয়ের সময় সুরা ইয়াসিন তিলাওয়াতের একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে। তিলাফতের সময় ‘মুবিন’ শব্দগুলো অতিক্রম করার মুহূর্তে শাহাদাত আঙুল দিয়ে উদীয়মান সূর্যের দিকে ইশারা করার কথা বলা হয়েছে।
কঠিন পরিস্থিতিতে হজরত মুসা আলাইহিস সালাম যে দোয়াটি পাঠ করেছিলেন, বিয়েপ্রত্যাশী নারী-পুরুষদের জন্যও তা নিয়মিত পড়ার তাগিদ দেওয়া হয়। ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খায়রিং ফাক্বির’ দোয়াটি প্রতিদিন একশবার পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা দ্রুত দ্বীনদার স্ত্রীর ব্যবস্থা করে দেন। অন্যদিকে, তরুণীরা প্রতিদিন নিয়মিত এগারো বার সুরা দুহা তিলাওয়াত করলে তাঁদের জন্য সর্বোত্তম পাত্র পাওয়ার পথ সহজ হতে পারে। পাশাপাশি, প্রতিদিন ফরজ নামাজের পর সুরা তাওবার ১২৯ নম্বর আয়াতটি তিলাওয়াত করা অত্যন্ত উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। এই আমলগুলোর মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে নিয়মিত প্রার্থনা চালিয়ে যাওয়া উচিত।
পবিত্র কোরআনে উত্তম জীবনসঙ্গী ও নেককার সন্তান লাভের জন্য একটি চমৎকার দোয়া শিখিয়ে দেওয়া হয়েছে। ‘রাব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আইয়ুনিও ওয়াজআলনা লিলমুত্তাক্বিনা ইমামা’ দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করার জন্য ধর্মভীরু মানুষেরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সুন্নাহসম্মত উপায়ে জীবনযাপন, হালাল উপার্জনের চেষ্টা এবং আল্লাহর দরবারে বিনম্রভাবে চাওয়ার মাধ্যমে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়। তাই সব ধরনের পাপাচার ও গর্হিত কাজ পরিহার করে উপরোক্ত কোরআনি আমলগুলো নিয়মিত করলে মহান আল্লাহ অতি দ্রুত উত্তম ও নেককার জীবনসঙ্গী দান করবেন ইনশা আল্লাহ।