আপডেট সময়
০২:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
চীন সফরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে চীন সফরে গেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সংযোগকারী সদ্য চালু হওয়া একটি আধুনিক সেতু অতিক্রম করে চীনের সীমান্ত শহর ডান্ডংয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি এই পথটি উন্মুক্ত হওয়ার পরপরই উত্তর কোরীয় নেতার এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চার লেনের এই নতুন 'নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ' সেতুটির মূল নির্মাণকাজ দীর্ঘ এক যুগ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে উত্তর কোরিয়া অংশের প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক ও কাস্টমস অবকাঠামোর ঘাটতি থাকায় এতদিন এটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর কিম জং উন এই রুট ব্যবহার করে চীন ভ্রমণ করলেন।বিশ্বের অন্যতম বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক মিত্র হলো চীন। বহির্বিশ্বের সাথে দেশটির বেশিরভাগ যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক লেনদেন বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরশীল, যা পিয়ংইয়ংয়ের জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থনের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। যদিও ঐতিহাসিক ও ভূ-রাজনৈতিক নানা বাস্তবতায় দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে সময়ে সময়ে টানাপোড়েন দেখা গেছে, তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে দুদেশের মধ্যকার মৈত্রী ও সহযোগিতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া ও এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের মধ্যকার এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি আনবে। এই সফরের ফলে আঞ্চলিক রাজনীতিতে সৃষ্ট নানা সমীকরণের মাঝে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও বেশি সুসংহত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে চীন সফরে গেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের বরাত দিয়ে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সংযোগকারী সদ্য চালু হওয়া একটি আধুনিক সেতু অতিক্রম করে চীনের সীমান্ত শহর ডান্ডংয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি এই পথটি উন্মুক্ত হওয়ার পরপরই উত্তর কোরীয় নেতার এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চার লেনের এই নতুন ‘নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ’ সেতুটির মূল নির্মাণকাজ দীর্ঘ এক যুগ আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে উত্তর কোরিয়া অংশের প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক ও কাস্টমস অবকাঠামোর ঘাটতি থাকায় এতদিন এটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর কিম জং উন এই রুট ব্যবহার করে চীন ভ্রমণ করলেন।
বিশ্বের অন্যতম বিচ্ছিন্ন রাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক মিত্র হলো চীন। বহির্বিশ্বের সাথে দেশটির বেশিরভাগ যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক লেনদেন বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরশীল, যা পিয়ংইয়ংয়ের জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থনের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। যদিও ঐতিহাসিক ও ভূ-রাজনৈতিক নানা বাস্তবতায় দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কে সময়ে সময়ে টানাপোড়েন দেখা গেছে, তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে দুদেশের মধ্যকার মৈত্রী ও সহযোগিতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া ও এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীনের মধ্যকার এই উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি আনবে। এই সফরের ফলে আঞ্চলিক রাজনীতিতে সৃষ্ট নানা সমীকরণের মাঝে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও বেশি সুসংহত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।