আপডেট সময়
০৯:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
চিকিৎসাশিক্ষায় ৬৩ শতাংশই ছাত্রী, ডেন্টাল ও নার্সিংয়েও এগিয়ে
স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে এখন উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন স্তরেও মেয়েদের জয়জয়কার অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মেডিক্যাল শিক্ষার মতো একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রে বর্তমানে ছাত্রীদের আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্যে দেখা গেছে যে, দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকের বেশি এখন নারী। চিকিৎসাশাস্ত্রের পাশাপাশি ডেন্টাল এবং নার্সিং শিক্ষাতেও পুরুষ শিক্ষার্থীদের তুলনায় ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে।প্রাপ্য তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ত्रेसাট্টি শতাংশই ছাত্রী। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবারগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং নারীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শুধু সাধারণ এমবিবিএস পড়াশোনাই নয়, বরং দন্তচিকিৎসা বা ডেন্টাল এবং সেবামূলক নার্সিং পেশার প্রতিও তরুণীদের ঝোঁক দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাতের একটি বড় অংশ জুড়ে নারী চিকিৎসকরা নেতৃত্ব দেবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।শিক্ষাঙ্গনে নারীদের এমন অভূতপূর্ব সাফল্য এবং বিপুল উপস্থিতির চিত্র দেখা গেলেও এর সম্পূর্ণ প্রতিফলন এখনও দেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ঘটেনি। চিকিৎসাবিদ্যায় মেয়েরা শিক্ষাজীবন সফলভাবে শেষ করলেও সরকারি চাকুরিক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকদের অংশগ্রহণের হার তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম রয়ে গেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সাথে পারিবারিক ও সামাজিক নানা দায়িত্বের সমন্বয় করতে গিয়ে অনেক নারী চিকিৎসকের পক্ষে সরকারি চাকরিতে যোগদান বা সেখানে দীর্ঘ সময় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসা শিক্ষায় ছাত্রীদের এই অগ্রযাত্রা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য অত্যন্ত একটি ইতিবাচক দিক। তবে কর্মক্ষেত্রে নারীদের এই অংশগ্রহণ যাতে আরও সুসংহত হয় এবং সরকারি চাকরিতেও তাদের উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মপরিবেশ আরও অনুকূল করা গেলে এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে নারীদের এই সাফল্যের চিত্র আরও বেশি পরিপূর্ণ রূপ লাভ করবে।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে এখন উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন স্তরেও মেয়েদের জয়জয়কার অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসাবিজ্ঞান বা মেডিক্যাল শিক্ষার মতো একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রে বর্তমানে ছাত্রীদের আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্যে দেখা গেছে যে, দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে মোট শিক্ষার্থীর অর্ধেকের বেশি এখন নারী। চিকিৎসাশাস্ত্রের পাশাপাশি ডেন্টাল এবং নার্সিং শিক্ষাতেও পুরুষ শিক্ষার্থীদের তুলনায় ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে।
প্রাপ্য তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ত्रेसাট্টি শতাংশই ছাত্রী। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবারগুলোর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং নারীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার কারণে এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। শুধু সাধারণ এমবিবিএস পড়াশোনাই নয়, বরং দন্তচিকিৎসা বা ডেন্টাল এবং সেবামূলক নার্সিং পেশার প্রতিও তরুণীদের ঝোঁক দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে দেশের স্বাস্থ্যখাতের একটি বড় অংশ জুড়ে নারী চিকিৎসকরা নেতৃত্ব দেবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
শিক্ষাঙ্গনে নারীদের এমন অভূতপূর্ব সাফল্য এবং বিপুল উপস্থিতির চিত্র দেখা গেলেও এর সম্পূর্ণ প্রতিফলন এখনও দেশের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ঘটেনি। চিকিৎসাবিদ্যায় মেয়েরা শিক্ষাজীবন সফলভাবে শেষ করলেও সরকারি চাকুরিক্ষেত্রে নারী চিকিৎসকদের অংশগ্রহণের হার তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম রয়ে গেছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সাথে পারিবারিক ও সামাজিক নানা দায়িত্বের সমন্বয় করতে গিয়ে অনেক নারী চিকিৎসকের পক্ষে সরকারি চাকরিতে যোগদান বা সেখানে দীর্ঘ সময় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসা শিক্ষায় ছাত্রীদের এই অগ্রযাত্রা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য অত্যন্ত একটি ইতিবাচক দিক। তবে কর্মক্ষেত্রে নারীদের এই অংশগ্রহণ যাতে আরও সুসংহত হয় এবং সরকারি চাকরিতেও তাদের উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মপরিবেশ আরও অনুকূল করা গেলে এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে নারীদের এই সাফল্যের চিত্র আরও বেশি পরিপূর্ণ রূপ লাভ করবে।