ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

চট্টগ্রামে মহাষষ্ঠীতে শুরু দুর্গাপূজা প্রস্তুতি ১৯৪৯ মণ্ডপে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্প্রতি মহাষষ্ঠীর নিহিত বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি প্রদান এবং নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রতিটি মণ্ডপের আঙিনা। নগর এবং জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামণ্ডপগুলোকে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

উৎসব উদযাপন কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা মিলে মোট এক হাজার ৯৪৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম নগরে ২৯৪টি এবং বাকি এক হাজার ৬৫৫টি মণ্ডপ রয়েছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। বিগত বছরের তুলনায় মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়োজনের প্রস্তুতিও বেশ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি মণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।

বাংলা পঞ্জিকার নিয়ম মেনে মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীর বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও প্রতিমা পূজার পর মহাষ্টমীতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত সন্ধিপূজা। এরপর মহানবমীর দিন দেবীকে বিশেষ ভোগ নিবেদন ও শেষ মুহূর্তের দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি রয়েছে। সবশেষে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই মহাসমারোহের সমাপ্তি ঘটবে, যেখানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।

পূজা উদযাপন কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান ও চালের বরাদ্দ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ছুটির পরিধিও বৃদ্ধি পাওয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বস্তি বিরাজ করছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকা অনুযায়ী, দেবী দুর্গার এবারের আগমন ঘটেছে ঘোড়ায় চড়ে এবং প্রস্থান হবে নৌকায়। সনাতন পুরাণ মতে, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই দুর্গোৎসব পালন করে আসছে।

ট্যাগস :

টেসলার ‘উড়ন্ত গাড়ি’

চট্টগ্রামে মহাষষ্ঠীতে শুরু দুর্গাপূজা প্রস্তুতি ১৯৪৯ মণ্ডপে

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্প্রতি মহাষষ্ঠীর নিহিত বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। দেবী দুর্গার আগমন উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। পূজা-অর্চনা, অঞ্জলি প্রদান এবং নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রতিটি মণ্ডপের আঙিনা। নগর এবং জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পূজামণ্ডপগুলোকে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

উৎসব উদযাপন কমিটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা মিলে মোট এক হাজার ৯৪৯টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে শুধু চট্টগ্রাম নগরে ২৯৪টি এবং বাকি এক হাজার ৬৫৫টি মণ্ডপ রয়েছে জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। বিগত বছরের তুলনায় মণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়োজনের প্রস্তুতিও বেশ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি মণ্ডপে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে পূজা সম্পন্ন করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।

বাংলা পঞ্জিকার নিয়ম মেনে মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীর বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও প্রতিমা পূজার পর মহাষ্টমীতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত সন্ধিপূজা। এরপর মহানবমীর দিন দেবীকে বিশেষ ভোগ নিবেদন ও শেষ মুহূর্তের দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি রয়েছে। সবশেষে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই মহাসমারোহের সমাপ্তি ঘটবে, যেখানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।

পূজা উদযাপন কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান ও চালের বরাদ্দ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ছুটির পরিধিও বৃদ্ধি পাওয়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বস্তি বিরাজ করছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও পঞ্জিকা অনুযায়ী, দেবী দুর্গার এবারের আগমন ঘটেছে ঘোড়ায় চড়ে এবং প্রস্থান হবে নৌকায়। সনাতন পুরাণ মতে, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে যুগ যুগ ধরে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই দুর্গোৎসব পালন করে আসছে।