ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ভারতে জয়শঙ্কর-রুবিও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেল জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা Logo জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত: শফিকুর রহমান Logo ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সরকার: শেখ রবিউল আলম Logo চার ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা ৫ লাখ টাকা করে ফেরত পাবেন Logo ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ গঠনই বিএনপির আদর্শ: প্রতিমন্ত্রী টুকু Logo প্রতিবেশী দেশের ভরসায় ক্ষমতায় থাকার রাজনীতি আমরা বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী Logo বাংলাদেশে শিশুদের জন্য জরুরি বিনিয়োগের আহ্বান ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালকের Logo একটি সেলফি থেকেই ক্যানসার রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা জানাবে এআই Logo দেড় শতাব্দী ধরে পাশাপাশি মসজিদ-মন্দির
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ে শীর্ষ দশে এক মুসলিম-প্রধান দেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:০০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং আধুনিক শিল্প খাতে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগের সুবাদে গবেষণা ও উন্নয়ন তথা আরঅ্যান্ডডি খাতে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে তুরস্ক। বিশ্ব বৌদ্ধিক সম্পত্তি সংস্থা বা ওয়িপোর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই বৈশ্বিক তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যে একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে নবম স্থান অধিকার করেছে আঙ্কারা। ক্রয়ক্ষমতা সমতা বা পিপিপির ভিত্তিতে তৈরি করা এই আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে তুরস্কের এই সাফল্য গোটা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত বছরটিতে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে তুরস্কের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈশ্বিক মোট গবেষণা ব্যয়ের প্রায় দেড় শতাংশ একাই অবদান রাখছে মধ্যপ্রাচ্যের এই অর্থনৈতিক শক্তি। নিজস্ব সামরিক প্রতিরক্ষা শিল্প, মহাকাশ গবেষণা, আধুনিক অটোমোবাইল খাত, জৈবপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উচ্চপ্রযুক্তি খাতগুলোতে সরকারের ধারাবাহিক ও কৌশলগত অর্থায়নের ফলেই মূলত এই অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা ও উন্নয়নে মোট ব্যয়ের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় দুই দশমিক নয় ট্রিলিয়ন ডলারে। বৈশ্বিক এই তালিকায় ঐতিহ্যবাহী শক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর গবেষণা ব্যয়কারী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীন। এই সময়ে বেইজিংয়ের গবেষণায় মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৮৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট বৈশ্বিক ব্যয়ের প্রায় ২৭ দশমিক চার শতাংশ।

অন্যদিকে, প্রায় ৭৮১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য ব্যয় নিয়ে পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলো। তুরস্কের ঠিক পরেই তালিকার দশম স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে লাতিন আমেরিকার প্রভাবশালী রাষ্ট্র ব্রাজিল, যাদের বার্ষিক গবেষণা ব্যয় প্রায় ৩৮ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের আধিপত্য এবং এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার বাজারেও গবেষণা ও প্রযুক্তিতে তুরস্কের এই বিশাল বাজেট বরাদ্দ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি কেবল দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতাই নিশ্চিত করছে না, বরং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও এটি একটি বড় অনুপ্রেরণা ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

ট্যাগস :

ভারতে জয়শঙ্কর-রুবিও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, গুরুত্ব পেল জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ে শীর্ষ দশে এক মুসলিম-প্রধান দেশ

আপডেট সময় ১০:০০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং আধুনিক শিল্প খাতে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগের সুবাদে গবেষণা ও উন্নয়ন তথা আরঅ্যান্ডডি খাতে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে তুরস্ক। বিশ্ব বৌদ্ধিক সম্পত্তি সংস্থা বা ওয়িপোর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত এই বৈশ্বিক তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যে একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে নবম স্থান অধিকার করেছে আঙ্কারা। ক্রয়ক্ষমতা সমতা বা পিপিপির ভিত্তিতে তৈরি করা এই আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানে তুরস্কের এই সাফল্য গোটা মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত বছরটিতে গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে তুরস্কের মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৩ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈশ্বিক মোট গবেষণা ব্যয়ের প্রায় দেড় শতাংশ একাই অবদান রাখছে মধ্যপ্রাচ্যের এই অর্থনৈতিক শক্তি। নিজস্ব সামরিক প্রতিরক্ষা শিল্প, মহাকাশ গবেষণা, আধুনিক অটোমোবাইল খাত, জৈবপ্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উচ্চপ্রযুক্তি খাতগুলোতে সরকারের ধারাবাহিক ও কৌশলগত অর্থায়নের ফলেই মূলত এই অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্বজুড়ে গবেষণা ও উন্নয়নে মোট ব্যয়ের পরিমাণ পৌঁছেছে প্রায় দুই দশমিক নয় ট্রিলিয়ন ডলারে। বৈশ্বিক এই তালিকায় ঐতিহ্যবাহী শক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর গবেষণা ব্যয়কারী দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে এশিয়ার অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীন। এই সময়ে বেইজিংয়ের গবেষণায় মোট ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৮৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট বৈশ্বিক ব্যয়ের প্রায় ২৭ দশমিক চার শতাংশ।

অন্যদিকে, প্রায় ৭৮১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য ব্যয় নিয়ে পরবর্তী স্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলো। তুরস্কের ঠিক পরেই তালিকার দশম স্থানে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে লাতিন আমেরিকার প্রভাবশালী রাষ্ট্র ব্রাজিল, যাদের বার্ষিক গবেষণা ব্যয় প্রায় ৩৮ দশমিক চার বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের আধিপত্য এবং এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার বাজারেও গবেষণা ও প্রযুক্তিতে তুরস্কের এই বিশাল বাজেট বরাদ্দ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি কেবল দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতাই নিশ্চিত করছে না, বরং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও এটি একটি বড় অনুপ্রেরণা ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।