ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ইউএনজিআইএসের পরামর্শক গোষ্ঠীর সদস্য হলেন বজলুর রহমান Logo ১০ দিনে ৪ মহাদেশে ৪ নির্বাচন, বড় পরীক্ষার মুখে গণতন্ত্র Logo ‘শালা–সম্বন্ধী পরীক্ষার্থী ছিল’, বিচারকের প্রশ্নে বললেন আসামি Logo ৭৫ হাজার টাকার শাড়ি নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্তে এবার সিআইডি Logo মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস কাপ গলফ টুর্নামেন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান Logo বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হচ্ছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত Logo জাতীয় দলের চাকরি হারিয়েও হতাশ নন আশরাফুল Logo চার বইয়ের অনুমোদন, নতুন যুক্ত হওয়া এসব বইয়ে কী থাকছে Logo বিএনপি নেতার আয়োজনে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

কৃষিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: বর্তমান সরকার দেশের কৃষিখাতকে সনাতন ধারা থেকে পুরোপুরি বের করে এনে একে আধুনিক, লাভজনক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। কৃষকদের কায়িক পরিশ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতেই গবেষণা, নতুন উদ্ভাবন এবং সার্বিক যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে এই খাতকে যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কৃষিকে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকহারে বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে কৃষক নিবন্ধন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি এবং মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়া ও বাজারদর সংক্রান্ত তথ্য সেবা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ই-এক্সটেনশন সেবা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস, ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ডেটা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এই আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা এখন খুব সহজেই ফসলের সঠিক ফলন পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রায় সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এর মাধ্যমে মূলত কৃষিকাজে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের দীর্ঘদিনের শ্রম সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মূলত কৃষিকে একটি আকর্ষণীয় ও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতেই সরকার যান্ত্রিকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে সমাবেশে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারাও তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। প্রতিষ্ঠানটির এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দেশব্যাপী ধান গবেষণাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও সমান গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক ধানের নতুন জাত ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

ইউএনজিআইএসের পরামর্শক গোষ্ঠীর সদস্য হলেন বজলুর রহমান

কৃষিকে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: বর্তমান সরকার দেশের কৃষিখাতকে সনাতন ধারা থেকে পুরোপুরি বের করে এনে একে আধুনিক, লাভজনক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। কৃষকদের কায়িক পরিশ্রমের ওপর নির্ভরতা কমাতেই গবেষণা, নতুন উদ্ভাবন এবং সার্বিক যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে এই খাতকে যুগোপযোগী করার কাজ চলছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রযুক্তি গ্রামের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এসব কথা বলেন। তিনি জানান, কৃষিকে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে বর্তমান প্রশাসন নানামুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কৃষি ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ব্যাপকহারে বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে কৃষক নিবন্ধন, সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি এবং মোবাইলভিত্তিক আবহাওয়া ও বাজারদর সংক্রান্ত তথ্য সেবা চালু করা হয়েছে। এছাড়া ই-এক্সটেনশন সেবা এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষি সেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফসলের উৎপাদন বাড়াতে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস, ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট ডেটা এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সুফল মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

এই আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ফলে কৃষকরা এখন খুব সহজেই ফসলের সঠিক ফলন পর্যবেক্ষণ, রোগবালাই শনাক্তকরণ এবং সুনির্দিষ্ট মাত্রায় সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এর মাধ্যমে মূলত কৃষিকাজে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর পাশাপাশি কৃষকদের দীর্ঘদিনের শ্রম সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মূলত কৃষিকে একটি আকর্ষণীয় ও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতেই সরকার যান্ত্রিকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে বলে সমাবেশে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তারাও তাদের কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। প্রতিষ্ঠানটির এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, দেশব্যাপী ধান গবেষণাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও সমান গুরুত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলভিত্তিক ধানের নতুন জাত ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সমাবেশে স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।