আপডেট সময়
১১:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
কারামুক্ত হলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
রাজনীতি ডেস্ক: বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন লাভ করে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান। সম্প্রতি মঙ্গলবার সকালে তিনি রাজধানীর কেরানীগঞ্জস্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি লাভ করেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর কারাফটকে তাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আদালতের নির্দেশনা এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই তার এই কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে হাইকোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করলে কারামুক্তির পথ সুগম হয়।চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি বিশেষ দল রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করে। পরবর্তীতে বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত ও হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারের পরদিনই আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন, যেখানে ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়েই তার আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন জানান এবং দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন লাভ করেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা লাগেজ পেতে দেরি হওয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান তার ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয় যে, তিনি ওই কর্মকর্তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং জীবননাশের হুমকি দেন। এছাড়া দেশের একজন মন্ত্রীকে নিয়েও তিনি অত্যন্ত অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং পরবর্তীতে দলের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নতুন সমীকরণের অংশ হিসেবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। কারাগার থেকে মুক্তির পর তাকে যেভাবে জামায়াত নেতারা বরণ করে নিয়েছেন, তা রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজনীতি ডেস্ক: বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন লাভ করে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান। সম্প্রতি মঙ্গলবার সকালে তিনি রাজধানীর কেরানীগঞ্জস্থ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি লাভ করেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর কারাফটকে তাকে ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আদালতের নির্দেশনা এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই তার এই কারামুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে হাইকোর্টের একটি বিশেষ বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করলে কারামুক্তির পথ সুগম হয়।
চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুর দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি বিশেষ দল রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করে। পরবর্তীতে বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত ও হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারের পরদিনই আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন, যেখানে ঘটনার বিভিন্ন দিক নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়েই তার আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন জানান এবং দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর উচ্চ আদালত থেকে তিনি জামিন লাভ করেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের মদিনা থেকে আগত একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা লাগেজ পেতে দেরি হওয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান তার ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয় যে, তিনি ওই কর্মকর্তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং জীবননাশের হুমকি দেন। এছাড়া দেশের একজন মন্ত্রীকে নিয়েও তিনি অত্যন্ত অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে মেজর অবসরপ্রাপ্ত আখতারুজ্জামান দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং পরবর্তীতে দলের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নতুন সমীকরণের অংশ হিসেবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। কারাগার থেকে মুক্তির পর তাকে যেভাবে জামায়াত নেতারা বরণ করে নিয়েছেন, তা রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।