ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন Logo শেখ হাসিনা জীবিত থাকাকালে নাশকতার চেষ্টা থামবে না, মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার Logo ভারতে মসজিদ-মাদ্রাসায় বুলডোজার অভিযান বন্ধের দাবি, তিন দফা প্রস্তাব জমিয়তের Logo বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আখতারুজ্জামান Logo শ্রমিক বিক্ষোভের পঞ্চম দিন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ Logo কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক Logo ৩৯ জনকে নেবে লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র Logo ফুটবলাররা কি আসলেই বোকা, নাকি আমরা ভুল জানি Logo কারামুক্ত হলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান Logo সোলার এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

শ্রমিক বিক্ষোভের পঞ্চম দিন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা পঞ্চম দিনে গড়াল। এই আন্দোলনের ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে এবং জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্মস্থলে যোগদানের পরিবর্তে শত শত শ্রমিক সকাল সাড়ে নয়টা থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের স্লোগানে মুখরিত চারপাশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকার দিগন্ত গার্মেন্টসের সামনে শ্রমিকেরা প্রথমে সমবেত হন এবং পরে মূল সড়কে অবস্থান নেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের দাবি জোরালো করতে তারা সড়কের বিভিন্ন অংশে আবর্জনা ও টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এর ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিদিনের যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, মাঝেমধ্যে সাধারণ পথচারী, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলচালকদের সঙ্গেও আন্দোলনরত শ্রমিকদের মৃদু বাকবিতণ্ডা হতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীরাও কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা তাঁদের বাধা দেন এবং নানাভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন পরিশোধ ও জীবনযাত্রার ব্যয় অনুপাতে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসলেও সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান না মেলায় শ্রমিকেরা আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। কারখানা মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং মহাসড়কে যান চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করতে শিল্প পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান যে, সকাল থেকে চলা এই অবরোধ হটাতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকদের শান্ত করে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

৫১তম বিসিএস: ৫ হাজার চিকিৎসক হতে আবেদন করলেন ৪৪,৬৩৫ জন

শ্রমিক বিক্ষোভের পঞ্চম দিন: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

আপডেট সময় ১২:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা পঞ্চম দিনে গড়াল। এই আন্দোলনের ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে এবং জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কর্মস্থলে যোগদানের পরিবর্তে শত শত শ্রমিক সকাল সাড়ে নয়টা থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের স্লোগানে মুখরিত চারপাশ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকার দিগন্ত গার্মেন্টসের সামনে শ্রমিকেরা প্রথমে সমবেত হন এবং পরে মূল সড়কে অবস্থান নেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের দাবি জোরালো করতে তারা সড়কের বিভিন্ন অংশে আবর্জনা ও টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেন। এর ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিদিনের যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, মাঝেমধ্যে সাধারণ পথচারী, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলচালকদের সঙ্গেও আন্দোলনরত শ্রমিকদের মৃদু বাকবিতণ্ডা হতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া গণমাধ্যমকর্মীরাও কিছু অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছবি ও ভিডিও ধারণের সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা তাঁদের বাধা দেন এবং নানাভাবে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন পরিশোধ ও জীবনযাত্রার ব্যয় অনুপাতে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসলেও সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান না মেলায় শ্রমিকেরা আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানা গেছে। কারখানা মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণেই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে বলে শ্রমিকেরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং মহাসড়কে যান চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করতে শিল্প পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান যে, সকাল থেকে চলা এই অবরোধ হটাতে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকদের শান্ত করে আলোচনার মাধ্যমে কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।