আপডেট সময়
০৯:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
এক ভ্রমণকণ্যার ভয় জয় করে পৃথিবী দেখা | তাঁHER কথা | পর্ব–০৭
লাইফস্টাইল ডেস্ক: সফল ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীদের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প নিয়ে আয়োজিত বিশেষ পডকাস্ট ‘তাঁHER কথা’র নতুন পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান বাংলাদেশি পর্যটক নাজমুন নাহার। তিনি দীর্ঘ পথচলায় পৃথিবীর ১৮৫টি দেশ একা ভ্রমণ করেছেন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড্ডীন করেছেন। একা একা বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর পেছনের রোমাঞ্চকর এবং চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতাগুলো তিনি এই আড্ডায় শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হকের সাবলীল সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে নাজমুন নাহারের জীবনের নানান না বলা গল্প উঠে এসেছে। প্রচলিত সামাজিক বাধা-বিপত্তি এবং মনের ভেতরের ভয়কে জয় করে কীভাবে তিনি একজন সফল বৈশ্বিক অভিযাত্রী হয়ে উঠলেন, সেই যাত্রার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন তিনি। তার এই অদম্য পথচলা কেবল ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নারীদের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।সমাজের নানা প্রতিকূলতা এবং কড়াকড়ি উপেক্ষা করে নাজমুন নাহার কীভাবে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন, তা আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বিশ্বভ্রমণের সময় তাকে যেসব অচেনা সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা এবং কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তার পেছনের সাহসী গল্পগুলো পডকাস্টটিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানটি শুধু তার ভ্রমণকাহিনিই তুলে ধরেনি, বরং একজন নারী হিসেবে নিজের ভেতরকার শক্তি আবিষ্কারের গল্পকেও সামনে নিয়ে এসেছে।অনুপ্রেরণাদায়ী এই পডকাস্টটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। নাজমুন নাহারের এই অবিস্মরণীয় অভিযাত্রা আগামী দিনে দেশের তরুণদের, বিশেষ করে নারীদের নিজেদের স্বপ্ন পূরণে আরও বেশি সাহসী করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন ও অর্জনের গল্প দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক আঙিনায় এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক: সফল ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীদের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প নিয়ে আয়োজিত বিশেষ পডকাস্ট ‘তাঁHER কথা’র নতুন পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান বাংলাদেশি পর্যটক নাজমুন নাহার। তিনি দীর্ঘ পথচলায় পৃথিবীর ১৮৫টি দেশ একা ভ্রমণ করেছেন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড্ডীন করেছেন। একা একা বিশ্বের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর পেছনের রোমাঞ্চকর এবং চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতাগুলো তিনি এই আড্ডায় শ্রোতাদের সামনে তুলে ধরেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর অধ্যাপক মোহাম্মদ রিদওয়ানুল হকের সাবলীল সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে নাজমুন নাহারের জীবনের নানান না বলা গল্প উঠে এসেছে। প্রচলিত সামাজিক বাধা-বিপত্তি এবং মনের ভেতরের ভয়কে জয় করে কীভাবে তিনি একজন সফল বৈশ্বিক অভিযাত্রী হয়ে উঠলেন, সেই যাত্রার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন তিনি। তার এই অদম্য পথচলা কেবল ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নারীদের এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সমাজের নানা প্রতিকূলতা এবং কড়াকড়ি উপেক্ষা করে নাজমুন নাহার কীভাবে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন, তা আজকের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। বিশ্বভ্রমণের সময় তাকে যেসব অচেনা সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা এবং কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তার পেছনের সাহসী গল্পগুলো পডকাস্টটিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানটি শুধু তার ভ্রমণকাহিনিই তুলে ধরেনি, বরং একজন নারী হিসেবে নিজের ভেতরকার শক্তি আবিষ্কারের গল্পকেও সামনে নিয়ে এসেছে।
অনুপ্রেরণাদায়ী এই পডকাস্টটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। নাজমুন নাহারের এই অবিস্মরণীয় অভিযাত্রা আগামী দিনে দেশের তরুণদের, বিশেষ করে নারীদের নিজেদের স্বপ্ন পূরণে আরও বেশি সাহসী করে তুলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তার এই বর্ণাঢ্য জীবন ও অর্জনের গল্প দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক আঙিনায় এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।