ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০ Logo ‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’ Logo এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক Logo বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, জয়ের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ Logo এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা Logo লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা Logo চাকরির বেতন ১০ হাজার, ব্যাংকে ঢুকল ১০ হাজার কোটি Logo সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান Logo এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাবোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এই পাবলিক পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাওয়ার ফলে শিক্ষা অঙ্গনে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই ফলাফলের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও পাসের হার গতবারের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার ঘাটতির কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাকালীন শিক্ষাজীবনে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাছাড়া ইংরেজি ও অন্যান্য কঠিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় সার্বিক পাসের হার এত নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই ফলাফলের পর এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি বা যাদের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক, তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে শিক্ষাদানের মান উন্নত করতে এবং পাসের হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।

ট্যাগস :

ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

আপডেট সময় ০১:৩১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাবোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এই পাবলিক পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাওয়ার ফলে শিক্ষা অঙ্গনে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই ফলাফলের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও পাসের হার গতবারের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার ঘাটতির কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাকালীন শিক্ষাজীবনে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাছাড়া ইংরেজি ও অন্যান্য কঠিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় সার্বিক পাসের হার এত নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই ফলাফলের পর এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি বা যাদের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক, তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে শিক্ষাদানের মান উন্নত করতে এবং পাসের হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।