ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন Logo মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে Logo আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা Logo মুজিব-হাসিনার জন্মস্থানে দাঁড়িয়ে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি, দাবি আদায়ে আমরা অনড় Logo ঢাকা কর অঞ্চল-১৯–এর অধীন চাকরি, পদ ৬০ Logo ‘সরকারি অফিসগুলো এখন বিএনপির অফিস, সেখান থেকে তারা টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করে’ Logo এক দফা আদায়ে সময়মতো ডাক আসবে, ঢাকায় সমবেত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন: মামুনুল হক Logo বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ, জয়ের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ Logo এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।

ট্যাগস :

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

ই–রিকশা কোথায় চলবে, কোথায় নিষেধ, কত গতিতে চলতে পারবে—নতুন বিধিমালা কী বলছে

আপডেট সময় ০২:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা চলাচলের জন্য একটি নতুন ও সময়োপযোগী বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহনগুলো কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি ছাড়াই যত্রতত্র চলাচল করায় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিধিমালার মাধ্যমে ই-রিকশা খাতের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রণীত নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ই-রিকশাগুলো ঠিক কোন কোন সড়কে চলাচল করতে পারবে এবং কোথায় সেগুলোর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ থাকবে। এছাড়া এসব যানের সর্বোচ্চ গতিসীমা কত হবে, তা নিয়েও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে যত্রতত্র ধীরগতির এই বাহন মূল সড়কে উঠে তীব্র যানজট তৈরি করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

শুধু রুট আর গতি নয়, ই-রিকশার ক্ষেত্রে যাত্রী বহনের সুনির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত গাড়ি সড়কে নামানো রোধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ই-রিকশার বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এবং নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষার বিষয়টিও এই নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে। এতে গাড়ির যান্ত্রিক মান যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরণের পরিধিও কিছুটা বাড়.

পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার প্রবণতা বন্ধ করতে এই পদক্ষেপ বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শৃঙ্খলাপূর্ণ, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব হয়ে উঠবে।