আপডেট সময়
১১:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৪
বার পড়া হয়েছে
আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম সফরকালে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ওপর জোর দিয়ে বলেন যে ধর্ম যার যার হলেও রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে সবাই সমান। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে এই দেশ এককভাবে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের নয়, বরং এখানে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষই এই ভূমির সমান অংশীদার। অতীতে নিজের রাজনৈতিক নির্বাসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন যে সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু তত্ত্ব মানুষের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ করতে পারে না এবং ভৌগোলিক অবস্থান বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে নাগরিকের মর্যাদা কখনো পরিবর্তিত হয় না। দেশের আইন এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যেকেই সমানাধিকার ভোগ করবেন বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।নতুন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে দল, মত এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশ নিয়েছিল বলে তিনি স্মরণ করেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের দিনগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে যখন বুক পেতে দেওয়া হয়েছিল কিংবা হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল, তখন কেউ কারও ধর্মীয় পরিচয়ের কথা জানতে চায়নি। এই ঐক্য ও ত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের হাতে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকেও তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। মণ্ডপ পরিদর্শনের এই অনুষ্ঠানে সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মণ্ডপ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়।কয়েক দশক পর কোনো সরকারপ্রধানের এমন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগরীর রহমতগঞ্জ এলাকাসহ আশপাশের বেশ কিছু সড়কে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় মণ্ডপে প্রবেশ করেন। মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্ধারিত সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে নগরীর একটি শীর্ষস্থানীয় হোটেলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এর আগে সামরিক বিমানে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর পৌঁছানোর পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।
জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম সফরকালে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ওপর জোর দিয়ে বলেন যে ধর্ম যার যার হলেও রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে সবাই সমান। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে এই দেশ এককভাবে কোনো বিশেষ সম্প্রদায়ের নয়, বরং এখানে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষই এই ভূমির সমান অংশীদার। অতীতে নিজের রাজনৈতিক নির্বাসনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন যে সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু তত্ত্ব মানুষের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ করতে পারে না এবং ভৌগোলিক অবস্থান বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে নাগরিকের মর্যাদা কখনো পরিবর্তিত হয় না। দেশের আইন এবং সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে প্রত্যেকেই সমানাধিকার ভোগ করবেন বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নতুন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে দল, মত এবং ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সব নাগরিকের সম্মিলিত সহযোগিতার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অংশ নিয়েছিল বলে তিনি স্মরণ করেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের দিনগুলোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে যখন বুক পেতে দেওয়া হয়েছিল কিংবা হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল, তখন কেউ কারও ধর্মীয় পরিচয়ের কথা জানতে চায়নি। এই ঐক্য ও ত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের অর্জিত স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের হাতে সরকারি অনুদানের চেক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পূজা উদ্যাপন পরিষদের পক্ষ থেকেও তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। মণ্ডপ পরিদর্শনের এই অনুষ্ঠানে সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, দলের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মণ্ডপ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়।
কয়েক দশক পর কোনো সরকারপ্রধানের এমন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগরীর রহমতগঞ্জ এলাকাসহ আশপাশের বেশ কিছু সড়কে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্য দিয়ে পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীরা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় মণ্ডপে প্রবেশ করেন। মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্ধারিত সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে নগরীর একটি শীর্ষস্থানীয় হোটেলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এর আগে সামরিক বিমানে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর পৌঁছানোর পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।