ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন Logo সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের Logo হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনে আলো ছড়িয়ে দেওয়া শিক্ষাগুরু শাহনাজ পারভীন | একজন শিক্ষক: প্রজন্মের কারিগর Logo বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোর করে ঠেলে পাঠানোর নিন্দা জানাল ভারতের নাগরিক সমাজ Logo সরকারিভাবে বিনাখরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি: অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে, যেসব নথিপত্র লাগবে Logo শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে Logo দিনমজুরের টাকায় তিন সড়কে ১১ যাত্রীছাউনি Logo ৪৫তম বিসিএসে গেজেট বঞ্চিতদের রি-ভেরিফিকেশন চালু, সিদ্ধান্ত চলতি মাসে Logo আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প Logo ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে আইজেনকটের পক্ষে ৬৭ আইনপ্রণেতা, সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত রোববার
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ফিচার ডেস্ক: সময় গড়িয়ে চলার সাথে সাথে চারপাশের চেনা অবয়বও বদলে যায় আমূল। তিন দশকেরও বেশি সময় আগের সেই শান্ত ও নিরিবিলি পথটি আজ আর আগের মতো নেই। একসময়ের নির্জন ওই এলাকার দুই পাশের উর্বর ফসলি জমিতে এখন গড়ে উঠেছে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাকা স্থাপনা। সময়ের এই দীর্ঘ যাত্রায় গ্রামীণ সেই জনপদটি ধীরে ধীরে একটি জমজমাট বাণিজ্যিক এলাকায় রূপান্তরিত হয়েছে।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দাদের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, আশির দশকে এই অঞ্চলটি ছিল খুবই নিরিবিলি এবং ফাঁকা। তখন এই মেঠোপথের ধারে কোনো কোলাহল ছিল না, চারপাশজুড়ে ছিল ফসলের ক্ষেত ও সবুজ প্রকৃতি। সন্ধ্যার পর ওই পথে লোকসমাগম প্রায় থাকত না বললেই চলে। সেই নির্জন পরিবেশের কারণে স্থানীয় তরুণ ও যুবকরা আড্ডা দেওয়ার জন্য এই জায়গাটিকে বেছে নিয়েছিল।

তরুণদের নিয়মিত আড্ডা আর মেলামেশার সুবাদেই একসময় স্থানটি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। আড্ডাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সেই বিশেষ জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে যায় ভালোবাসার এক অন্যরকম অনুভূতি। মানুষের মুখে মুখে ফিরতে ফিরতে একপর্যায়ে স্থানটির নামই হয়ে যায় প্রেমতলা। যদিও আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় সেই চেনা রূপ আজ সম্পূর্ণ উধাও, তবুও পুরোনো দিনের মানুষের মুখে এখনো টিকে রয়েছে এই নামটি।

বর্তমানে ওই এলাকায় শুধু নামের স্মৃতিটুকুই অবশিষ্ট রয়েছে, বাস্তবে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে। সেখানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। ফসলি জমির বুক চিরে তৈরি হয়েছে পাকা সড়ক, আর মানুষের ভিড়ে মুখর থাকে পুরো এলাকাটি। পরিবর্তনের এই স্রোতে পুরনো দিনের সেই রোমান্টিকতা হারিয়ে গেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে এটি এখন একটি ব্যস্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তিন জেলায় নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা, বছরে মোট উৎপাদনের লক্ষ্য ২৭ লাখ টন

আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প

আপডেট সময় ০৯:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

ফিচার ডেস্ক: সময় গড়িয়ে চলার সাথে সাথে চারপাশের চেনা অবয়বও বদলে যায় আমূল। তিন দশকেরও বেশি সময় আগের সেই শান্ত ও নিরিবিলি পথটি আজ আর আগের মতো নেই। একসময়ের নির্জন ওই এলাকার দুই পাশের উর্বর ফসলি জমিতে এখন গড়ে উঠেছে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও পাকা স্থাপনা। সময়ের এই দীর্ঘ যাত্রায় গ্রামীণ সেই জনপদটি ধীরে ধীরে একটি জমজমাট বাণিজ্যিক এলাকায় রূপান্তরিত হয়েছে।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দাদের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, আশির দশকে এই অঞ্চলটি ছিল খুবই নিরিবিলি এবং ফাঁকা। তখন এই মেঠোপথের ধারে কোনো কোলাহল ছিল না, চারপাশজুড়ে ছিল ফসলের ক্ষেত ও সবুজ প্রকৃতি। সন্ধ্যার পর ওই পথে লোকসমাগম প্রায় থাকত না বললেই চলে। সেই নির্জন পরিবেশের কারণে স্থানীয় তরুণ ও যুবকরা আড্ডা দেওয়ার জন্য এই জায়গাটিকে বেছে নিয়েছিল।

তরুণদের নিয়মিত আড্ডা আর মেলামেশার সুবাদেই একসময় স্থানটি স্থানীয়দের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। আড্ডাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সেই বিশেষ জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে যায় ভালোবাসার এক অন্যরকম অনুভূতি। মানুষের মুখে মুখে ফিরতে ফিরতে একপর্যায়ে স্থানটির নামই হয়ে যায় প্রেমতলা। যদিও আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় সেই চেনা রূপ আজ সম্পূর্ণ উধাও, তবুও পুরোনো দিনের মানুষের মুখে এখনো টিকে রয়েছে এই নামটি।

বর্তমানে ওই এলাকায় শুধু নামের স্মৃতিটুকুই অবশিষ্ট রয়েছে, বাস্তবে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে। সেখানে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। ফসলি জমির বুক চিরে তৈরি হয়েছে পাকা সড়ক, আর মানুষের ভিড়ে মুখর থাকে পুরো এলাকাটি। পরিবর্তনের এই স্রোতে পুরনো দিনের সেই রোমান্টিকতা হারিয়ে গেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে এটি এখন একটি ব্যস্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।