আপডেট সময়
১১:৩১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
৫
বার পড়া হয়েছে
২০ অক্টোবর রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে যেসব কর্মসূচি
জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সাজসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে রাজশাহীতে। শহরের মূল সড়কগুলোর বিভাজকে নতুন রঙের প্রলেপ লাগানোর পাশাপাশি ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো নতুন রূপ পাচ্ছে, যা পুরো নগরীতে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও শ্রমিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে শহরটিকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই ঝকঝকে ও পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার মাধ্যমে রাজশাহীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর স্থানীয়বাসীর জন্য অত্যন্ত আবেগ ও গৌরবের বিষয়। তাঁকে একনজর দেখার জন্য উত্তরের এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং সফরটি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম রাজশাহী সফর। এই সফরকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সর্ববৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং উন্নয়নের নতুন গতি আনতে এই সফর একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সাধারণ মানুষও নিজ উদ্যোগে শহর সাজাতে এবং প্রিয় নেতাকে বরণ করতে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে প্রথমে সৈয়দপুর হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনের মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর তিনি বিমানযোগে রাজশাহী পৌঁছে ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং নির্ধারিত দিনে বেলা তিনটায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন। রাজশাহী সফর শেষ করে বিকেলে তিনি বিমানযোগে চট্টগ্রামে রওনা হবেন এবং সেখানে জে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। একদিনের এই সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যস্ত সফরে তিনি দেশের তিনটি বিভাগ পরিদর্শন করে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।
জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সাজসজ্জার কাজ শুরু হয়েছে রাজশাহীতে। শহরের মূল সড়কগুলোর বিভাজকে নতুন রঙের প্রলেপ লাগানোর পাশাপাশি ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। পুরোনো ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো নতুন রূপ পাচ্ছে, যা পুরো নগরীতে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও শ্রমিকরা দিনরাত পরিশ্রম করে শহরটিকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, প্রধানমন্ত্রীর এই ঝকঝকে ও পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার মাধ্যমে রাজশাহীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর স্থানীয়বাসীর জন্য অত্যন্ত আবেগ ও গৌরবের বিষয়। তাঁকে একনজর দেখার জন্য উত্তরের এই জনপদের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এবং সফরটি সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তাঁর প্রথম রাজশাহী সফর। এই সফরকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে সর্ববৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে এবং উন্নয়নের নতুন গতি আনতে এই সফর একটি বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। রাজশাহীবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সব প্রস্তুতি ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সাধারণ মানুষও নিজ উদ্যোগে শহর সাজাতে এবং প্রিয় নেতাকে বরণ করতে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সামরিক বাহিনীর একটি বিমানে প্রথমে সৈয়দপুর হয়ে রংপুরে পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনের মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর তিনি বিমানযোগে রাজশাহী পৌঁছে ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং নির্ধারিত দিনে বেলা তিনটায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন। রাজশাহী সফর শেষ করে বিকেলে তিনি বিমানযোগে চট্টগ্রামে রওনা হবেন এবং সেখানে জে এম সেন হল রহমতগঞ্জ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। একদিনের এই সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যস্ত সফরে তিনি দেশের তিনটি বিভাগ পরিদর্শন করে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেবেন।