আপডেট সময়
০৫:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
সারা দেশে জমে উঠেছে শারদীয় দুর্গোৎসব
জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব দেশজুড়ে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান। মহাষ্টমীর মূল আকর্ষণ হিসেবে দেশের বিভিন্ন রামকৃষ্ণ মিশন ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী দেবী দুর্গার মাতৃশক্তির প্রতীক এই কুমারী রূপ দর্শন করতে প্রতিটি মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছেন অগণিত ভক্ত ও দর্শনার্থী।উৎসবের এই দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য দৃশ্য দেখা গেছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও পূজার সময় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই নির্বিঘ্নে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন।পূজা উদযাপনের পাশাপাশি দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি সহায়তা ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত উপহার সামগ্রী হিসেবে দরিদ্র মানুষের মাঝে নতুন কাপড় ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে এই সহায়তা প্রদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়, যা উৎসবের আনন্দকে সমাজের সব স্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।খাগড়াছড়ি ও দিনাজপুরসহ পাহাড়ি ও জনবহুল অঞ্চলগুলোতেও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করার প্রার্থনা নিয়ে অঞ্জলি প্রদান করেছেন। সব মিলিয়ে বর্ণিল সাজে সজ্জিত মণ্ডপ, ভক্তদের উলুধ্বনি আর ঢাকের বোলে মুখরিত হয়ে উঠেছে চারপাশ, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের আমেজকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব দেশজুড়ে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান। মহাষ্টমীর মূল আকর্ষণ হিসেবে দেশের বিভিন্ন রামকৃষ্ণ মিশন ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কুমারী পূজা। পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী দেবী দুর্গার মাতৃশক্তির প্রতীক এই কুমারী রূপ দর্শন করতে প্রতিটি মণ্ডপে ভিড় জমিয়েছেন অগণিত ভক্ত ও দর্শনার্থী।
উৎসবের এই দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য দৃশ্য দেখা গেছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও পূজার সময় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই নির্বিঘ্নে তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন।
পূজা উদযাপনের পাশাপাশি দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি সহায়তা ও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত উপহার সামগ্রী হিসেবে দরিদ্র মানুষের মাঝে নতুন কাপড় ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে এই সহায়তা প্রদান কর্মসূচি পরিচালিত হয়, যা উৎসবের আনন্দকে সমাজের সব স্তরের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
খাগড়াছড়ি ও দিনাজপুরসহ পাহাড়ি ও জনবহুল অঞ্চলগুলোতেও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করার প্রার্থনা নিয়ে অঞ্জলি প্রদান করেছেন। সব মিলিয়ে বর্ণিল সাজে সজ্জিত মণ্ডপ, ভক্তদের উলুধ্বনি আর ঢাকের বোলে মুখরিত হয়ে উঠেছে চারপাশ, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের আমেজকে আরও সুদৃঢ় করেছে।