ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী Logo ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সড়কে মানুষের ঢল, স্টেডিয়াম এলাকায় কড়া নিরাপত্তা Logo সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী Logo শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামগ্রিকভাবে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই, তবে কিছু সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছুটা বেশি চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার জন্য বিজিবিকে ইতোমধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার অপব্যবহার করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কড়া নজরদারি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রতিবছর ইউরিয়া সারের যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে থাকে এমন কিছু নির্দিষ্ট সারের চাহিদা কোনো কোনো অঞ্চলে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কৃষকদের সুবিধার্থে এবং সারের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার এখন ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মাত্র দুজন করে সার ডিলার থাকলেও বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এখন থেকে প্রতি ইউনিয়নে অতিরিক্ত একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই এই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং তাদের অনুকূলে সারের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আসন্ন রোপণ মৌসুমে কৃষকদের আর কোনো ধরনের সারের সংকটে পড়তে হবে না।

এর আগে মন্ত্রী রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের অভিনব পদ্ধতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি বিভাগ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামগ্রিকভাবে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই, তবে কিছু সীমান্তবর্তী অঞ্চলে কিছুটা বেশি চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সার পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করার জন্য বিজিবিকে ইতোমধ্যে অনুরোধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানান, কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি ভর্তুকিপ্রাপ্ত সার অপব্যবহার করতে না পারে কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে কড়া নজরদারি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে প্রতিবছর ইউরিয়া সারের যে বিপুল চাহিদা রয়েছে, তার বিপরীতে সরবরাহ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার উচ্চ ভর্তুকি দিয়ে থাকে এমন কিছু নির্দিষ্ট সারের চাহিদা কোনো কোনো অঞ্চলে হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাময়িক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। কৃষকদের সুবিধার্থে এবং সারের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার এখন ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি জানান, আগে প্রতিটি ইউনিয়নে মাত্র দুজন করে সার ডিলার থাকলেও বর্ধিত চাহিদা মেটাতে এখন থেকে প্রতি ইউনিয়নে অতিরিক্ত একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই এই নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে এবং তাদের অনুকূলে সারের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আসন্ন রোপণ মৌসুমে কৃষকদের আর কোনো ধরনের সারের সংকটে পড়তে হবে না।

এর আগে মন্ত্রী রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের অভিনব পদ্ধতি সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় কৃষি বিভাগ ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।