ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে Logo প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সড়কে মানুষের ঢল, স্টেডিয়াম এলাকায় কড়া নিরাপত্তা Logo সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির Logo আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী Logo শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক রহমানকে নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ Logo কারও ড্রেসআপ ঠিক নেই, এরা চিকিৎসক, নার্স না কি দালাল: ঢামেকে অভিযানে দুদক চেয়ারম্যান Logo কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণ করবে মজুরি বোর্ড: প্রধানমন্ত্রী
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: দেশে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতা-কর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে রাজপথে নেমে পড়ার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি অর্থাৎ এবি পার্টি। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শ্রমিক অসন্তোষ ও আন্দোলন দমনের নামে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এভাবে হাতে লাঠি নিয়ে মহড়া দেওয়া এবং সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে দলটি মনে করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার জন্য যেখানে রাষ্ট্রে একাধিক বিশেষায়িত বাহিনী রয়েছে, সেখানে দলীয় ক্যাডারদের এই ধরনের ভূমিকা জনমনে গভীর শঙ্কা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

এবি পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতারা মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানের মূল দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত। কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নেন এবং রাজপথে শক্তির প্রদর্শন করেন, তখন তা সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন বা যেকোনো সামাজিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রশাসনের কাজ হওয়া উচিত, দলীয় নেতাকর্মীদের এই কাজে সম্পৃক্ত করার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিক সমাজের অনেকেও এই বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। তাদের মতে, রাজপথে রাজনৈতিক দলের কর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে উপস্থিতি কেবল বিশৃঙ্খলাকেই উসকে দেয় না, বরং এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও নিরপেক্ষতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেকোনো নাগরিক বা শ্রমিকের দাবি আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হওয়া উচিত এবং তা মোকাবেলার সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার কেবল প্রশাসনেরই রয়েছে।

দলীয় পরিচয়ে কিংবা লাঠিসোঁটা হাতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে তা ভবিষ্যতে বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এবি পার্টি। তাই অবিলম্বে এ ধরনের বেআইনি তৎপরতা বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে দলটি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক উপস্থিতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে

পুলিশ থাকার পরেও বিএনপির নেতা–কর্মীরা কেন লাঠিসোঁটা নিয়ে নামছেন, প্রশ্ন এবি পার্টির

আপডেট সময় ০৪:৩১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: দেশে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতা-কর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে রাজপথে নেমে পড়ার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি অর্থাৎ এবি পার্টি। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন শ্রমিক অসন্তোষ ও আন্দোলন দমনের নামে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এভাবে হাতে লাঠি নিয়ে মহড়া দেওয়া এবং সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে দলটি মনে করে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার জন্য যেখানে রাষ্ট্রে একাধিক বিশেষায়িত বাহিনী রয়েছে, সেখানে দলীয় ক্যাডারদের এই ধরনের ভূমিকা জনমনে গভীর শঙ্কা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

এবি পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতারা মনে করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা বিধানের মূল দায়িত্ব পুরোপুরি রাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত। কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা আইন নিজের হাতে তুলে নেন এবং রাজপথে শক্তির প্রদর্শন করেন, তখন তা সুশাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলন বা যেকোনো সামাজিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রশাসনের কাজ হওয়া উচিত, দলীয় নেতাকর্মীদের এই কাজে সম্পৃক্ত করার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে তা নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিক সমাজের অনেকেও এই বিষয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। তাদের মতে, রাজপথে রাজনৈতিক দলের কর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে উপস্থিতি কেবল বিশৃঙ্খলাকেই উসকে দেয় না, বরং এটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও নিরপেক্ষতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেকোনো নাগরিক বা শ্রমিকের দাবি আদায়ের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হওয়া উচিত এবং তা মোকাবেলার সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার কেবল প্রশাসনেরই রয়েছে।

দলীয় পরিচয়ে কিংবা লাঠিসোঁটা হাতে এই ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে তা ভবিষ্যতে বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকটের সৃষ্টি করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এবি পার্টি। তাই অবিলম্বে এ ধরনের বেআইনি তৎপরতা বন্ধ করতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে দলটি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উসকানিমূলক উপস্থিতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।