ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo শ্যামনগরে সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি, আতঙ্কিত দুই পরিবার Logo বোয়ালমারীতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাল জব্দের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo চরভদ্রাসনে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা Logo বোয়ালমারীতে সাবেক কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ৬৩০ কেজি চাল উদ্ধার Logo পরিকল্পিত হত্যা; না দুর্ঘটনাঃ অবশেষে হত্যা মামলা দায়ের  Logo বোয়ালমারীতে সাংবাদিকের বাবার মৃত্যু Logo কুপিয়ে হত্যার পর দুর্ঘটনা নাটকঃ আটক ৪ Logo খাদে পড়া প্রাইভেটকারের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo ফরিদপুরে গণপিটুনিতে নিহত ট্রাকচালকের এতিম শিশুর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী Logo নরসিংদীতে নেশাখোর ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

সদরপুরে টেলিফোন গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে সংযোগ নেই দুই বৎসর

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী লিমিটেড ( বিটিসিএল) এর সদরপুর উপজেলার গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত বন্ধ রয়েছে।টেলিফোনের সংযোগ তারপরও প্রতি মাসে টেলিফোনের বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মোট সংযোগ রয়েছে ৬৮ টি। এর মধ্যে চালু রয়েছে মাত্র ১২ টি। বাকি ৫৬ টি টেলিফোনের সংযোগ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত। অথচ প্রতি মাসেই ১৭৩ টাকা করে প্রতি মাসে বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ভোগান্তির এখানেই শেষ নয় সদরপুর উপজেলায় টেলিফোনের একাউন্ট বন্ধ থাকার কারনে গ্রাহকদের টেলিফোনের বিল দিতে হচ্ছে ফরিদপুর গিয়ে। যেন মরার উপরে খরার ঘা।

সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামের বি,টি,সিএল এর গ্রাহক সিরাজ মোল্যা বলেন, আমাদের টেলিফোনের সংযোগ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত। নেই টেলিফোনের তার নেই অফিসের জনবল। অথচ প্রতি মাসেই ১৭৩ টাকা করে বিল আসছে। আবার সেই বিল দিতে হয় ফরিদপুরে গিয়ে। এতে আমরা ডবল ভোগান্তির শিকার হচ্ছি, অথচ এর কোন প্রতিকার হচ্ছেনা। তিনি আরো বলেন সদরপুরে বি টি সি এল এর অফিস না থাকার কারনে আমরা অভিযোগ করারও জায়গা পাচ্ছিনা।

বিটিসিএল এর সদরপুর উপজেলার আটরশিতে অবস্থিত এক্সচেক্সে কতজন কর্মকর্তা কর্মচারি রয়েছে সেটাও জানেনা কেউ। উক্ত অফিসের লাইনম্যান নওয়াবালি কে মাঝে মধ্যে দেখা গেলেও আর কাউকেই দেখা যায়না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে কর্মরত ষ্টাফ রয়েছে ৪ জন। তবে অফিসে কার্যক্রম না থাকার কারনে বাকিরা নিয়মিত অফিসে আসেননা বলে জানা গেছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী লিমিটেডের সদরপুর উপজেলা শাখা অফিসের সাইনবোর্ড না থাকার কারনে দেখে বোঝার উপায় নেই যে সেটা কিশের অফিস। অফিস আছে কিন্তু কাজ নেই, বিল আসছে প্রতিমাসে কিন্তু তার নেই, নেই সংযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ। তারপরেও প্রতি মাসে দিতে হচ্ছে টেলিফোন বিল। গ্রাহকদের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে ব্যাপারটি স্বরেজমিনে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবী জানিয়েছেন বিটিসিএল এর গ্রাহক সিরাজ মোল্যা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশছাড়ার হুমকি, আতঙ্কিত দুই পরিবার

সদরপুরে টেলিফোন গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে সংযোগ নেই দুই বৎসর

আপডেট সময় ১২:০৫:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী লিমিটেড ( বিটিসিএল) এর সদরপুর উপজেলার গ্রাহকদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত বন্ধ রয়েছে।টেলিফোনের সংযোগ তারপরও প্রতি মাসে টেলিফোনের বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মোট সংযোগ রয়েছে ৬৮ টি। এর মধ্যে চালু রয়েছে মাত্র ১২ টি। বাকি ৫৬ টি টেলিফোনের সংযোগ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত। অথচ প্রতি মাসেই ১৭৩ টাকা করে প্রতি মাসে বিল গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ভোগান্তির এখানেই শেষ নয় সদরপুর উপজেলায় টেলিফোনের একাউন্ট বন্ধ থাকার কারনে গ্রাহকদের টেলিফোনের বিল দিতে হচ্ছে ফরিদপুর গিয়ে। যেন মরার উপরে খরার ঘা।

সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামের বি,টি,সিএল এর গ্রাহক সিরাজ মোল্যা বলেন, আমাদের টেলিফোনের সংযোগ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দুই বৎসর যাবত। নেই টেলিফোনের তার নেই অফিসের জনবল। অথচ প্রতি মাসেই ১৭৩ টাকা করে বিল আসছে। আবার সেই বিল দিতে হয় ফরিদপুরে গিয়ে। এতে আমরা ডবল ভোগান্তির শিকার হচ্ছি, অথচ এর কোন প্রতিকার হচ্ছেনা। তিনি আরো বলেন সদরপুরে বি টি সি এল এর অফিস না থাকার কারনে আমরা অভিযোগ করারও জায়গা পাচ্ছিনা।

বিটিসিএল এর সদরপুর উপজেলার আটরশিতে অবস্থিত এক্সচেক্সে কতজন কর্মকর্তা কর্মচারি রয়েছে সেটাও জানেনা কেউ। উক্ত অফিসের লাইনম্যান নওয়াবালি কে মাঝে মধ্যে দেখা গেলেও আর কাউকেই দেখা যায়না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখানে কর্মরত ষ্টাফ রয়েছে ৪ জন। তবে অফিসে কার্যক্রম না থাকার কারনে বাকিরা নিয়মিত অফিসে আসেননা বলে জানা গেছে।

এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী লিমিটেডের সদরপুর উপজেলা শাখা অফিসের সাইনবোর্ড না থাকার কারনে দেখে বোঝার উপায় নেই যে সেটা কিশের অফিস। অফিস আছে কিন্তু কাজ নেই, বিল আসছে প্রতিমাসে কিন্তু তার নেই, নেই সংযোগ, দীর্ঘদিন যাবৎ। তারপরেও প্রতি মাসে দিতে হচ্ছে টেলিফোন বিল। গ্রাহকদের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে ব্যাপারটি স্বরেজমিনে তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দাবী জানিয়েছেন বিটিসিএল এর গ্রাহক সিরাজ মোল্যা।