আপডেট সময়
০৮:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
২
বার পড়া হয়েছে
লুলার জয় লাতিন আমেরিকায় ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা এক অভাবনীয় রাজনৈতিক বিজয় অর্জন করেছেন। নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ডানপন্থি প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ায় লুলার সমর্থকদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে চমকপ্রদ জয় তুলে নেন তিনি। তার এই বিজয় আগের সব জনমত জরিপকে ভুল প্রমাণ করে রাজনীতিতে তার নাটকীয় পুনরুত্থান ঘটিয়েছে।লুলার এই ঐতিহাসিক জয় লাতিন আমেরিকা জুড়ে ডানপন্থিদের ধারাবাহিক নির্বাচনি জয়ের ধারাকে জোরালোভাবে প্রতিহত করেছে। একই সঙ্গে এটি পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপমূলক এজেন্ডার ওপরও বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে লুলার সরকারের আমলে দেশটির অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এবং বেকারত্বের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এছাড়া আমাজন অঞ্চলে বন উজাড়ের হার কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশটি জাতিসংঘের ক্ষুধা মানচিত্র থেকেও নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হয়।নির্বাচনের প্রচারণায় ভোটারদের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছিল। লাখ লাখ ব্রাজিলীয় চড়া সুদের ঋণ ও অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় সমাজে একধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এর জবাবে লুলা ঋণ মওকুফ, সামাজিক সুবিধার পরিধি বৃদ্ধি এবং কাজের সময় কমানোর মতো সাহসী কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অন্যদিকে তার প্রতিপক্ষ ফ্লাভিও বলসোনারো সরকারি ব্যয় হ্রাস এবং অপরাধ দমনে কঠোর আইন প্রয়োগের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন।এই নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে আন্তর্জাতিক প্রভাবের বিষয়টিও বেশ আলোচনায় ছিল। বিদেশি শক্তির নানা ধরনের প্রকাশ্য সমর্থন ও হস্তক্ষেপের মুখেও ব্রাজিলের ভোটাররা শেষ পর্যন্ত দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষেই রায় দিয়েছেন। লুলার এই পুনর্নির্বাচন লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশে ডানপন্থি শক্তির অগ্রযাত্রাকে স্তিমিত করে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে এই ফলাফল ব্রাজিলের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে আরও সুদৃঢ় করবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা এক অভাবনীয় রাজনৈতিক বিজয় অর্জন করেছেন। নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ডানপন্থি প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ায় লুলার সমর্থকদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে চমকপ্রদ জয় তুলে নেন তিনি। তার এই বিজয় আগের সব জনমত জরিপকে ভুল প্রমাণ করে রাজনীতিতে তার নাটকীয় পুনরুত্থান ঘটিয়েছে।
লুলার এই ঐতিহাসিক জয় লাতিন আমেরিকা জুড়ে ডানপন্থিদের ধারাবাহিক নির্বাচনি জয়ের ধারাকে জোরালোভাবে প্রতিহত করেছে। একই সঙ্গে এটি পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপমূলক এজেন্ডার ওপরও বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে লুলার সরকারের আমলে দেশটির অর্থনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এবং বেকারত্বের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এছাড়া আমাজন অঞ্চলে বন উজাড়ের হার কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশটি জাতিসংঘের ক্ষুধা মানচিত্র থেকেও নিজেদের মুক্ত করতে সক্ষম হয়।
নির্বাচনের প্রচারণায় ভোটারদের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছিল। লাখ লাখ ব্রাজিলীয় চড়া সুদের ঋণ ও অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় সমাজে একধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এর জবাবে লুলা ঋণ মওকুফ, সামাজিক সুবিধার পরিধি বৃদ্ধি এবং কাজের সময় কমানোর মতো সাহসী কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অন্যদিকে তার প্রতিপক্ষ ফ্লাভিও বলসোনারো সরকারি ব্যয় হ্রাস এবং অপরাধ দমনে কঠোর আইন প্রয়োগের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন।
এই নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে আন্তর্জাতিক প্রভাবের বিষয়টিও বেশ আলোচনায় ছিল। বিদেশি শক্তির নানা ধরনের প্রকাশ্য সমর্থন ও হস্তক্ষেপের মুখেও ব্রাজিলের ভোটাররা শেষ পর্যন্ত দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষেই রায় দিয়েছেন। লুলার এই পুনর্নির্বাচন লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশে ডানপন্থি শক্তির অগ্রযাত্রাকে স্তিমিত করে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে এই ফলাফল ব্রাজিলের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে আরও সুদৃঢ় করবে।