আপডেট সময়
০৩:০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
রিজওয়ানের ফেরার পথ খুলে দিল পিসিবি
খেলা ডেস্ক: অনলাইন জুয়া ও বেটিং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের কারণে চলমান তদন্তের মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে নামার সবুজ সংকেত পেয়েছেন পাকিস্তানের তারকা উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি পাওয়ার ফলে প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানের শেষ রাউন্ডে সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের জার্সিতে খেলতে আর কোনো বাধা রইল না তাঁর। শুধু তাই নয়, এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলটির অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করবেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ঘরোয়া ক্রিকেটের এই প্রতিযোগিতায় তাঁর দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়বে খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ।এর আগে জুয়া সংক্রান্ত তদন্তের বিষয়টি সামনে আসায় আট দলের এই প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টে রিজওয়ানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক অনিশ্চয়তা। ইংল্যান্ড সফর শেষে জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর তিনি সরাসরি এসএনজিপিএল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। এমনকি দলের পূর্বনির্ধারিত অনুশীলন ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সভায় অংশ নিয়েছিলেন এই ব্যাটার। তবে পিসিবির নির্দেশনার কারণে সেই সময় হঠাৎ করেই তাকে দলের ক্যাম্প ছেড়ে লাহোরে ফিরে যেতে হয়েছিল। বোর্ডের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল যে চলমান তদন্তের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মাঠে নামা নিয়ে কড়াকড়ি থাকবে।জিও সুপারের তথ্য অনুযায়ী, পিসিবির পক্ষ থেকে হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা আসার আগে রিজওয়ানের শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তার ক্লাব কর্তৃপক্ষ। অথচ ইংল্যান্ড সিরিজ খেলে দেশে ফেরা অন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বাড়তি পরীক্ষার কোনো বালাই ছিল না। পরবর্তীতে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ার জন্য ছাড়পত্রের আবেদন করার সুবাদে পিসিবির সঙ্গে রিজওয়ানের পুনরায় যোগাযোগ শুরু হয়। সেই যোগাযোগের সূত্র ধরেই এসএনজিপিএল কর্তৃপক্ষ তাকে শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে দলে ফিরিয়ে আনে।ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলার অনুমতি মিললেও বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নেওয়ার ছাড়পত্রের জন্য পিসিবির চূড়ান্ত উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, দেশের মাটিতে এই ঘরোয়া প্রতিযোগিতার খেলা শেষ হওয়ার পরেই তাকে এনওসি প্রদান করতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কারণ সাধারণত দেশের প্রধান ঘরোয়া টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে কোনো ক্রিকেটারকে বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি দিতে বেশ অনীহা প্রকাশ করে থাকে দেশের ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদ।
খেলা ডেস্ক: অনলাইন জুয়া ও বেটিং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের কারণে চলমান তদন্তের মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে নামার সবুজ সংকেত পেয়েছেন পাকিস্তানের তারকা উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি পাওয়ার ফলে প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ানের শেষ রাউন্ডে সুই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের জার্সিতে খেলতে আর কোনো বাধা রইল না তাঁর। শুধু তাই নয়, এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলটির অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করবেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ঘরোয়া ক্রিকেটের এই প্রতিযোগিতায় তাঁর দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়বে খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজ।
এর আগে জুয়া সংক্রান্ত তদন্তের বিষয়টি সামনে আসায় আট দলের এই প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্টে রিজওয়ানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছিল ব্যাপক অনিশ্চয়তা। ইংল্যান্ড সফর শেষে জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর তিনি সরাসরি এসএনজিপিএল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। এমনকি দলের পূর্বনির্ধারিত অনুশীলন ও গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সভায় অংশ নিয়েছিলেন এই ব্যাটার। তবে পিসিবির নির্দেশনার কারণে সেই সময় হঠাৎ করেই তাকে দলের ক্যাম্প ছেড়ে লাহোরে ফিরে যেতে হয়েছিল। বোর্ডের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল যে চলমান তদন্তের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার মাঠে নামা নিয়ে কড়াকড়ি থাকবে।
জিও সুপারের তথ্য অনুযায়ী, পিসিবির পক্ষ থেকে হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা আসার আগে রিজওয়ানের শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল তার ক্লাব কর্তৃপক্ষ। অথচ ইংল্যান্ড সিরিজ খেলে দেশে ফেরা অন্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বাড়তি পরীক্ষার কোনো বালাই ছিল না। পরবর্তীতে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ার জন্য ছাড়পত্রের আবেদন করার সুবাদে পিসিবির সঙ্গে রিজওয়ানের পুনরায় যোগাযোগ শুরু হয়। সেই যোগাযোগের সূত্র ধরেই এসএনজিপিএল কর্তৃপক্ষ তাকে শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে দলে ফিরিয়ে আনে।
ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলার অনুমতি মিললেও বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশ নেওয়ার ছাড়পত্রের জন্য পিসিবির চূড়ান্ত উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছেন এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, দেশের মাটিতে এই ঘরোয়া প্রতিযোগিতার খেলা শেষ হওয়ার পরেই তাকে এনওসি প্রদান করতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কারণ সাধারণত দেশের প্রধান ঘরোয়া টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে কোনো ক্রিকেটারকে বিদেশি লিগে খেলার অনুমতি দিতে বেশ অনীহা প্রকাশ করে থাকে দেশের ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদ।