ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
Logo গাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট Logo ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০ হাজার ব্যালট বাতিলে ট্রাম্প প্রশাসনের চেষ্টা সুপ্রিম কোর্টে খারিজ Logo বাসে রং করলেই রুট রেশনালাইজেশন হবে না Logo যেখানে সারা বছর ৬০০ টাকায় বাটার জুতা কেনা যায়, বছরে বিক্রি ১ লাখ জোড়া Logo পত্রিকা: ‘পোশাকশ্রমিক-হকারদের মাঠে নামিয়ে আ’লীগের ভয়ঙ্কর ছক’ Logo রাজনীতি আটকে গেছে ডানপন্থী ফাঁদে, বাম ও লিবারেলরা কী করবে Logo ই-রিকশার নিবন্ধন কীভাবে, কারা পাবেন, আয় কেমন হতে পারে Logo চীন-জাপানের প্রতিযোগিতা ও বাংলাদেশ Logo মূল্যস্ফীতির চাপে সঞ্চয়ের পুরোনো শিক্ষা Logo তরুণদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আশার আলো, ছয় মাসে রেমিশন ৫৪ শতাংশের
প্রতিনিধি নিয়োগঃ
এটি একটি প্রিন্টভার্ষণ পত্রিকার ওয়েবসাইট। সারাদেশে জেলা উপজেলায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীদের শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বলা হইলো। -বার্তা সম্পাদক।

রাজনীতি আটকে গেছে ডানপন্থী ফাঁদে, বাম ও লিবারেলরা কী করবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অঙ্গন দীর্ঘ সময় ধরে ডানপন্থী দলগুলোর কৌশলগত ফাঁদের মধ্যে আটকে রয়েছে। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সর্বোচ্চ ১৮টি আসন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল এবং সে সময় তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে ডানপন্থী রাজনৈতিক ধারা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য শক্তির উপস্থিতি বজায় রেখে চলেছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ডানপন্থী প্রভাবের কারণে দেশের প্রগতিশীল, বামপন্থী এবং উদারনৈতিক রাজনৈতিক শক্তিগুলো নানা ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছে। তারা কীভাবে এই আধিপত্য মোকাবিলা করে নিজেদের জনসমর্থন বাড়াবে এবং বিকল্প রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠা করবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেদের আদর্শ ও কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই শক্তিগুলোকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

রাজনৈতিক গবেষকদের একাংশের মতে, বাম ও লিবারেল বা উদারনৈতিক দলগুলোর নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়নে আরও বেশি মনযোগ দেওয়া প্রয়োজন। কেবল প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতি না করে জনগণের মৌলিক অধিকার, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নগুলোকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। অন্যথায় এই ডানপন্থী প্রভাবের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে একটি ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা বেশ সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সামগ্রিকভাবে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুস্থ বিকাশের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুমতের চর্চা এবং সব মতাদর্শের দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ ভোটারদের মন জয় করতে হলে প্রগতিশীল শক্তিগুলোকে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তবেই আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে একটি অর্থপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে আজ ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

রাজনীতি আটকে গেছে ডানপন্থী ফাঁদে, বাম ও লিবারেলরা কী করবে

আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অঙ্গন দীর্ঘ সময় ধরে ডানপন্থী দলগুলোর কৌশলগত ফাঁদের মধ্যে আটকে রয়েছে। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সর্বোচ্চ ১৮টি আসন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল এবং সে সময় তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে ডানপন্থী রাজনৈতিক ধারা দীর্ঘদিন ধরেই দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য শক্তির উপস্থিতি বজায় রেখে চলেছে।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ডানপন্থী প্রভাবের কারণে দেশের প্রগতিশীল, বামপন্থী এবং উদারনৈতিক রাজনৈতিক শক্তিগুলো নানা ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছে। তারা কীভাবে এই আধিপত্য মোকাবিলা করে নিজেদের জনসমর্থন বাড়াবে এবং বিকল্প রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠা করবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেদের আদর্শ ও কর্মসূচি সফলভাবে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই শক্তিগুলোকে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

রাজনৈতিক গবেষকদের একাংশের মতে, বাম ও লিবারেল বা উদারনৈতিক দলগুলোর নীতিনির্ধারকদের দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক কৌশল প্রণয়নে আরও বেশি মনযোগ দেওয়া প্রয়োজন। কেবল প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতি না করে জনগণের মৌলিক অধিকার, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নগুলোকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি। অন্যথায় এই ডানপন্থী প্রভাবের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে একটি ভারসাম্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা বেশ সময়সাপেক্ষ ও কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সামগ্রিকভাবে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সুস্থ বিকাশের জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুমতের চর্চা এবং সব মতাদর্শের দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ ভোটারদের মন জয় করতে হলে প্রগতিশীল শক্তিগুলোকে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তবেই আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে একটি অর্থপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে মনে করেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।