আপডেট সময়
০১:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৩
বার পড়া হয়েছে
‘যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে ক্ষমতার জোরে সংবিধান সংশোধন টেকসই হবে না’
রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের শক্তির কথা স্মরণ করে সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির মন্তব্য করেছেন যে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং লড়াই করেছেন, তাদের সম্পৃক্ত না করে এককভাবে কোনো সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া সফল হতে পারে না। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও মূল কারিগরদের বাদ দিয়ে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ কখনো দীর্ঘস্থায়ী রূপ লাভ করতে পারে না।আলোচনা সভায় শিশির মনির সদ্য গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যকারিতা ও আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে যেভাবে সংবিধান সংশোধনের তোড়জোড় চলছে, সেখানে কমিটির এখতিয়ার এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের এই পরিবর্তনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখা বিপ্লবী শক্তিগুলোকে পাশ কাটিয়ে এককভাবে সংবিধান পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা কেবল অবিবেচনাপ্রসূত নয়, বরং তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকিস্বরূপ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।অতীতের রাজনৈতিক উদাহরণ টেনে এই আইনজীবী বলেন, এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের মতো করে বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছিল, যা পরবর্তীতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বা সুপ্রিম কোর্ট বাতিল ঘোষণা করেছে। বর্তমান সময়েও যদি বিপ্লবে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতাকে উপেক্ষা করে একই পন্থায় সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা চালানো হয়, তবে সেই সংশোধনীও আইনি এবং রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই টিকে থাকার কোনো যৌক্তিকতা রাখে না। তিনি দেশের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন যে, বিপ্লবের অংশীজনদের বাদ দিয়ে এই ধরনের একতরফা পরিবর্তন করার কোনো মানেই হয় না।পরিশেষে শিশির মনির অভিযোগ করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লবের মূল শক্তিগুলোকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের এই প্রবণতা কেবল ক্ষমতার শক্তি প্রদর্শনের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ছাড়া বর্তমান সংবিধান সংশোধনের কোনো পরিবেশ বা ক্ষেত্র প্রস্তুত হতো না, অথচ আজ সেই রক্তের ঋণ ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই জনগণের প্রকৃত অংশগ্রহণ ও বিপ্লবের মূল চেতনাকে ধারণ না করে যদি গায়ের জোরে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে তা কখনোই জনকল্যাণমূলক বা টেকসই হবে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে সতর্ক করেন।
রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই অভ্যুত্থানের শক্তির কথা স্মরণ করে সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির মন্তব্য করেছেন যে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং লড়াই করেছেন, তাদের সম্পৃক্ত না করে এককভাবে কোনো সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়া সফল হতে পারে না। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট ও মূল কারিগরদের বাদ দিয়ে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ কখনো দীর্ঘস্থায়ী রূপ লাভ করতে পারে না।
আলোচনা সভায় শিশির মনির সদ্য গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যকারিতা ও আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে যেভাবে সংবিধান সংশোধনের তোড়জোড় চলছে, সেখানে কমিটির এখতিয়ার এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের এই পরিবর্তনের পেছনে মূল ভূমিকা রাখা বিপ্লবী শক্তিগুলোকে পাশ কাটিয়ে এককভাবে সংবিধান পরিবর্তনের যেকোনো প্রচেষ্টা কেবল অবিবেচনাপ্রসূত নয়, বরং তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকিস্বরূপ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
অতীতের রাজনৈতিক উদাহরণ টেনে এই আইনজীবী বলেন, এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের মতো করে বিতর্কিত পঞ্চদশ সংশোধনী এনেছিল, যা পরবর্তীতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বা সুপ্রিম কোর্ট বাতিল ঘোষণা করেছে। বর্তমান সময়েও যদি বিপ্লবে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতাকে উপেক্ষা করে একই পন্থায় সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা চালানো হয়, তবে সেই সংশোধনীও আইনি এবং রাজনৈতিক উভয় দিক থেকেই টিকে থাকার কোনো যৌক্তিকতা রাখে না। তিনি দেশের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন যে, বিপ্লবের অংশীজনদের বাদ দিয়ে এই ধরনের একতরফা পরিবর্তন করার কোনো মানেই হয় না।
পরিশেষে শিশির মনির অভিযোগ করে বলেন যে, জুলাই বিপ্লবের মূল শক্তিগুলোকে পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধনের এই প্রবণতা কেবল ক্ষমতার শক্তি প্রদর্শনের বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ছাড়া বর্তমান সংবিধান সংশোধনের কোনো পরিবেশ বা ক্ষেত্র প্রস্তুত হতো না, অথচ আজ সেই রক্তের ঋণ ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তাই জনগণের প্রকৃত অংশগ্রহণ ও বিপ্লবের মূল চেতনাকে ধারণ না করে যদি গায়ের জোরে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে তা কখনোই জনকল্যাণমূলক বা টেকসই হবে না বলে তিনি দৃঢ়ভাবে সতর্ক করেন।