আপডেট সময়
০১:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
৪৬
বার পড়া হয়েছে
-আহত বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান।
বোয়ালমারীতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের কদমী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন কদমী গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান এবং তার ভাতিজা, রূপাপাত ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শেখ (২৭)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখান থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কদমী গ্রামের বাসিন্দা হেলালের ছেলে সজলকে কিছুদিন আগে মাদক সেবনের অভিযোগে পুলিশ আটক করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে সে এলাকায় ফিরে আসে। শুক্রবার রাতে ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ মোল্যার সমর্থক হিসেবে পরিচিত কয়েকজন—সজল, সজিব, নাজমুল (২২), রাসেল (২০), রাকিব (২২) ও শিপন (২৪)—বিএনপি নেতা আব্দুর রহমান তাদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন এমন সন্দেহে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার জের ধরে তারা রাতের অন্ধকারে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আব্দুর রহমান ও তার ভাতিজাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত আব্দুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ফিরোজ মোল্যার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও এর সঙ্গে জড়িত। সজলকে পুলিশ ধরার পর থেকেই তারা আমাকে সন্দেহ করে আসছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। অভিযুক্ত কৃষক লীগ নেতা মো. ফিরোজ মোল্যা বলেন, আমি ওই সময় গোপালগঞ্জে ছিলাম। শুনেছি ছেলেপেলেরা মারধর করেছে। এখন বিষয়টি মিটমাট করা যায় কি না, দেখছি। এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের কদমী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন কদমী গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান এবং তার ভাতিজা, রূপাপাত ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন শেখ (২৭)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখান থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কদমী গ্রামের বাসিন্দা হেলালের ছেলে সজলকে কিছুদিন আগে মাদক সেবনের অভিযোগে পুলিশ আটক করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে সে এলাকায় ফিরে আসে। শুক্রবার রাতে ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরোজ মোল্যার সমর্থক হিসেবে পরিচিত কয়েকজন—সজল, সজিব, নাজমুল (২২), রাসেল (২০), রাকিব (২২) ও শিপন (২৪)—বিএনপি নেতা আব্দুর রহমান তাদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছেন এমন সন্দেহে তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনার জের ধরে তারা রাতের অন্ধকারে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আব্দুর রহমান ও তার ভাতিজাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহত আব্দুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ফিরোজ মোল্যার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও এর সঙ্গে জড়িত। সজলকে পুলিশ ধরার পর থেকেই তারা আমাকে সন্দেহ করে আসছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।
অভিযুক্ত কৃষক লীগ নেতা মো. ফিরোজ মোল্যা বলেন, আমি ওই সময় গোপালগঞ্জে ছিলাম। শুনেছি ছেলেপেলেরা মারধর করেছে। এখন বিষয়টি মিটমাট করা যায় কি না, দেখছি।
এ বিষয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।